অনস্ক্রিন কিসে না বলা তারকারা কারা?

এখন বেশ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে চরিত্রের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়। তবে বলিউডে এখনও এমন অনেক তারকা রয়েছেন, যারা অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্যে স্বচ্ছন্দ নন। সম্প্রতি নিজের দীর্ঘদিনের ‘নো কিসিং’ নীতি ভেঙে আলোচনায় এসেছেন কাজল। এরপরই নতুন করে সামনে এসেছে আরও কয়েকজন তারকার নাম।
প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে চুম্বন দৃশ্য এড়িয়ে চলেছেন কাজল। তবে সম্প্রতি যীশু সেনগুপ্তর সঙ্গে একটি দৃশ্যে অভিনয় করে চমক দেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, এটি শুধুই চুম্বন দৃশ্য ছিল না, বরং চরিত্রের জন্য জরুরি অংশ ছিল।

একসময় একই নীতিতে ছিলেন শাহরুখ খানও। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পর্দায় চুম্বন দৃশ্য এড়িয়ে চললেও ২০১২ সালে ‘যব তক হ্যায় জান’ ছবিতে সেই নিয়ম ভাঙেন কিং খান।

দক্ষিণী ও বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়াও দীর্ঘ ১৮ বছর ‘নো কিসিং’ নীতি মেনে চলেছেন। পরে ‘লাস্ট স্টোরিজ ২’-এ চুম্বন দৃশ্যে দেখা যায় তাকে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত বদল করেছেন।

তবে এখনও নিজের অবস্থানে অনড় সালমান খান। ক্যারিয়ারের এত বছরেও কোনো চুম্বন দৃশ্যে দেখা যায়নি ভাইজানকে। ব্যক্তিগত অস্বস্তি আর পারিবারিক মূল্যবোধকেই কারণ হিসেবে জানিয়েছেন তিনি।

সোনাক্ষী সিনহাও অনস্ক্রিন চুম্বনে স্বচ্ছন্দ নন। সুযোগ হাতছাড়া হলেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথাই জানিয়েছেন তিনি।

ববি দেওলও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, সবার সামনে এমন দৃশ্যে অভিনয়ে অস্বস্তি লাগে তার। এমনকি ‘অ্যানিমেল’ ছবিতে থাকা একটি চুম্বন দৃশ্য পরে বাদও দেওয়া হয়। রীতেশ দেশমুখও একই মতের। তবে ব্যতিক্রম ঘটেছে স্ত্রী জেনেলিয়া ডিসুজার সঙ্গে অভিনীত ছবিতে।

দক্ষিণী জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবীও অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্য এড়িয়ে চলেন। ব্যক্তিগত লজ্জাবোধ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানা যায়।

চলচ্চিত্রে সাহসী দৃশ্যের ট্রেন্ড যতই বাড়ুক, ব্যক্তিগত সীমারেখা আর স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অনেক তারকাই। তাই গ্ল্যামারের দুনিয়াতেও ‘নো কিসিং’ নীতি এখনো বহাল অনেকের কাছে।
দৈএনকে/জে, আ