আইএইএর রিপোর্টে ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন তথ্য

ইরানের অধিকাংশ উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনও ইসফাহান নিউক্লিয়ার টেকনোলজি সেন্টারে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি।
তিনি বলেন, গত বছরের হামলা এবং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্যাটেলাইট চিত্র ও পূর্ববর্তী তথ্য বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের সংঘাত শুরুর আগে সেখানে সংরক্ষিত ইউরেনিয়ামের বড় অংশ এখনো সুরঙ্গেই থাকতে পারে। তবে পরিদর্শন বন্ধ থাকায় বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

গ্রোসি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সব গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা—নাতাঞ্জ নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি, ফোর্দো ফুয়েল এনরিচমেন্ট প্ল্যান্ট এবং ইসফাহান—আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের আওতায় আনা জরুরি।
বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ কেজির বেশি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা অস্ত্রমানের কাছাকাছি বলে বিবেচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মজুদ ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা দিতে পারে, যদি তেহরান রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়।
আইএইএ ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে, বিশেষ করে রাশিয়ায় স্থানান্তরের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে। তবে এর জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
গ্রোসি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন চুক্তির জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য। তার ভাষায়, “আলোচনার ইচ্ছা দুই পক্ষেরই আছে, কিন্তু অগ্রাধিকারের পার্থক্য বড় বাধা হয়ে রয়েছে।”
দৈএনকে/জে, আ