ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রায় বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতি

ঢাকায় পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ বৈশাখী শোভাযাত্রা এবার উপভোগ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের বিদেশি কূটনীতিকরা। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং নরওয়ের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণের সামনে দাঁড়িয়ে শোভাযাত্রা উপভোগ করতে দেখা যায় তাদের।
ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রানসেন সস্ত্রীক শোভাযাত্রা দেখতে আসেন। এছাড়া ভারত, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন মিশনের আরও কয়েকজন কূটনীতিকও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের নিরাপত্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্ব পালন করে।
দুই রাষ্ট্রদূতকে শোভাযাত্রা উপভোগ করতে দেখা যায় এবং তারা মোবাইল ফোনে ছবি ও সেলফি তুলে আনন্দ উপভোগ করেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি) জানান, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সস্ত্রীক এই শোভাযাত্রা উপভোগ করতে এসেছেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও দেখভাল নিশ্চিত করা হয়েছে।
এবারের শোভাযাত্রা ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে সকাল ৯টার পর এটি যাত্রা শুরু করে।
শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর গেট থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, রাজু ভাস্কর্য, টিএসসি ও দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শেষ হয়।
২০২৫ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে প্রথমে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ এবং পরে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামকরণ করা হয়। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই নতুন আঙ্গিকে বর্ষবরণ উদযাপন করা হচ্ছে।
এদিকে রমনার বটমূলে ভোরের প্রথম আলোয় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করার মধ্য দিয়ে এবারের বর্ষবরণ উৎসবের সূচনা হয়।