বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • ঢাকার সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৭ জন গ্রেপ্তার

    ঢাকার সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৭ জন গ্রেপ্তার
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও চিকিৎসককে হেনস্তার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামি মঈন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    র‍্যাব জানায়, রোববার দিবাগত রাতে নড়াইল ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মূল অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনকে নড়াইল জেলার কালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. স্বপন কাজী এবং মো. শাওন হোসেনসহ আরও কয়েকজন।

    ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ১০ এপ্রিল সকালে, যখন সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল লোক সিকেডি হাসপাতালে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করে। অভিযোগ রয়েছে, তারা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে চিকিৎসা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে এবং নিয়ম ভেঙে জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করে।

    সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্তরা হাসপাতাল কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছেন এবং অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে ঢুকে কর্মীদের হেনস্তা করছেন। এ সময় ওটি ইনচার্জ আবু হানিফকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটে।

    এই ঘটনার পর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত আরও ৭–৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলাটি করেন হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ।

    হাসপাতাল সূত্র ও অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মঈন উদ্দিন বিভিন্নভাবে হাসপাতালে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন। তিনি জোরপূর্বক সরবরাহের চাপ সৃষ্টি, অর্থ দাবি এবং কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিযুক্ত।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, তিনি একাধিকবার ৫০–৬০ জন লোক নিয়ে হাসপাতালের সামনে মহড়া দেন এবং চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কুৎসা রটান।

    বর্তমানে গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এমন অনৈতিক চাপ ও সহিংসতার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন