বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • চাঁদাবাজির ঘটনায় পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ডা. কামরুলের

    চাঁদাবাজির ঘটনায় পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ডা. কামরুলের
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, যুবদল নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।

    শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া পাওয়ায় তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতা তার আস্থা আরও বাড়িয়েছে।

    ডা. কামরুল ইসলাম জানান, নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দেওয়া মো. মঈন উদ্দিন মঈন দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন সরবরাহ সংক্রান্ত কাজে চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অনিয়মে সাড়া না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন।

    তিনি বলেন, সর্বশেষ শুক্রবার সকালে মঈন উদ্দিন হাসপাতালে এসে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেন এবং কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি একজন কর্মচারীকে হুমকি দেন। পরে ৩০ মার্চ শেরেবাংলানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

    ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর শুক্রবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ নেতারা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    ডা. কামরুল ইসলাম আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জন্য গণমাধ্যমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    তিনি জানান, হাসপাতালের খাবার সরবরাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই মূলত এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে কাজ না দেওয়ায় তারা চাঁদা দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করে।

    উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কিডনি প্রতিস্থাপন করে আসছেন এবং মানবসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

    এ ঘটনায় শেরেবাংলানগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত চলছে এবং প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন