বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • আবহাওয়া পরিবর্তনে শিশুর সর্দি-কাশি: ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে দ্রুত স্বস্তি

    আবহাওয়া পরিবর্তনে শিশুর সর্দি-কাশি: ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে দ্রুত স্বস্তি
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় শিশুদের সর্দি-কাশি একটি খুবই সাধারণ সমস্যা। হঠাৎ ঠান্ডা লাগা, ভাইরাস সংক্রমণ কিংবা ধুলাবালির কারণে ছোটদের এই সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু সহজ যত্ন নিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুকে দ্রুত সুস্থ করে তোলা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিচর্যা এবং সচেতনতা থাকলে ঘরেই অনেকাংশে এই সমস্যা মোকাবিলা করা যায়।

    শিশুর সর্দি-কাশিতে করণীয়

    ১. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করুন
    শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে হবে। বিশ্রাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সহায়ক হয়।

    ২. বেশি করে তরল খাবার দিন
    গরম পানি, স্যুপ, ডাল পানি, লেবু পানি ইত্যাদি শিশুকে খাওয়ালে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং গলার অস্বস্তি কমে।

    ৩. নাক পরিষ্কার রাখুন
    ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে নাক বন্ধভাব কমে এবং শ্বাস নিতে সহজ হয়।

    ৪. মধু ব্যবহার (১ বছরের বেশি শিশুদের জন্য)
    মধু কাশি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে কখনোই মধু দেওয়া উচিত নয়।

    ৫. বাষ্প নেওয়া (স্টিম)
    হালকা গরম পানির বাষ্প শিশুর নাক ও গলা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, ফলে শ্বাস নিতে স্বস্তি পাওয়া যায়।

    ৬. পরিষ্কার পরিবেশ বজায় রাখুন
    ধুলাবালি, ধোঁয়া ও ঠান্ডা বাতাস থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। পরিষ্কার পরিবেশ রোগের ঝুঁকি কমায়।

    কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

    নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:

    জ্বর ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে
    শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
    অতিরিক্ত কাশি বা বমি হলে
    শিশু খেতে না চাইলে বা খুব দুর্বল হয়ে পড়লে
    কান ব্যথা বা কান থেকে কিছু বের হলে
    যেগুলো এড়িয়ে চলবেন
    চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া
    অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার খাওয়ানো
    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কাশির সিরাপ ব্যবহার
    সতর্কতা ও সচেতনতার গুরুত্ব


    সর্দি-কাশিতে যেসব ভুল একদমই করবেন না:

    চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে নিজে নিজে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন না।

    অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার বা আইসক্রিম খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

    যেকোনো কাশির সিরাপ খাওয়ানোর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের মতামত নিন।


    শিশু অসুস্থ হলে অনেক সময় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে দ্রুত ওষুধ দিতে চান। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ওষুধ প্রয়োগ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই যেকোনো চিকিৎসা নেওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক যত্ন, পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার মাধ্যমে শিশুদের সর্দি-কাশি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ