ত্বক ফর্সা ও গ্লোয়িং রাখতে অ্যাপ্রিকট-কোকো-হানি স্ক্রাব

আবহাওয়া পরিবর্তন আর ধুলোবালির কারণে ত্বক প্রায়ই নিস্প্রভ ও খসখসে হয়ে পড়ে। পার্লারের দামী এক্সফোলিয়েটর বা স্ক্রাবের বিকল্প হিসেবে এখন বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হচ্ছে প্রাকৃতিক উপাদান। বিশেষ করে অ্যাপ্রিকট (খুবানি), নারিকেল তেল এবং মধুর সংমিশ্রণে তৈরি স্ক্রাবটি ত্বকের মরা চামড়া সরিয়ে সেটিকে করে তোলে রেশমের মতো কোমল। এই ঘরোয়া স্ক্রাবটি কীভাবে তৈরি করবেন এবং কেন এটি সেরা, তা নিয়ে আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।
উপকরণ ও তাদের জাদুকরী গুণ
- শুকনো অ্যাপ্রিকট : এর দানাগুলো ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ সরিয়ে ফেলে এবং ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায়।
- নারিকেল তেল : এটি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।
- মধু : প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট হিসেবে মধু ত্বককে নরম করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
- ব্রাউন সুগার (ঐচ্ছিক): স্ক্রাবিং-এর কার্যকারিতা বাড়াতে সামান্য ব্যবহার করা যায়।
প্রস্তুত ও ব্যবহার প্রণালী:
১. প্রথমে কয়েকটি শুকনো অ্যাপ্রিকট ব্লেন্ডারে দিয়ে হালকা গুঁড়ো করে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন একদম পাউডার না হয়ে যায়, সামান্য দানাদার ভাব থাকলে স্ক্রাবিং ভালো হবে।
২.একটি ছোট পাত্রে ২ টেবিল চামচ অ্যাপ্রিকট গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ খাঁটি নারিকেল তেল এবং ১ টেবিল চামচ মধু নিন। সব উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন।
৩. মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে সামান্য ভেজা অবস্থায় এই স্ক্রাবটি লাগান। এবার আঙুলের ডগা দিয়ে বৃত্তাকার বা সার্কুলার মোশনে ২-৩ মিনিট আলতো করে ম্যাসাজ করুন। বিশেষ করে নাক ও চিবুকের চারপাশ যেখানে ব্ল্যাকহেডস বেশি থাকে, সেখানে একটু বেশি সময় দিন।
৪. ম্যাসাজ শেষে আরও ৫ মিনিট স্ক্রাবটি ত্বকে রেখে দিন। এরপর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে সাধারণ ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন যাতে ত্বকের রোমকূপগুলো বন্ধ হয়।
কেন এত কাজ করে?
- ডিপ ক্লিন করে পোরসের ভেতরের জমে থাকা ময়লা টেনে বের করে
- ব্ল্যাকহেডস–হোয়াইটহেডস ধীরে ধীরে গলিয়ে রিমুভ করে
- স্কিন করে একদম স্মুথ, সফট আর ক্লিয়ার
- ডেড স্কিন তুলে স্কিনকে করে ফ্রেশ আর গ্লোয়িং
- রেগুলার ইউজে পোরস ছোট দেখায়