ঝাল প্রেমীদের জন্য ঘরোয়া নাগা মরিচের আচার

ভাতের পাতে এক টুকরো নাগা মরিচের আচার মানেই অন্যরকম তৃপ্তি। এর তীব্র ঝাল আর মনমাতানো সুগন্ধের কারণে এটি ভোজনরসিকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে বাজারের কেনা আচারে অনেক সময় আসল স্বাদ ও সুগন্ধ পাওয়া যায় না। তাই ঘরোয়া উপায়ে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে এই আচার তৈরির গোপন টিপস নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
-
নাগা মরিচ: ১০০-১৫০ গ্রাম (বোঁটা ফেলে ধুয়ে পানি শুকিয়ে নেওয়া)
-
সরিষার তেল: ২ কাপ
-
আদা ও রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ
-
সরিষা বাটা: ৩ টেবিল চামচ
-
পাঁচফোড়ন গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ
-
সিরকা বা ভিনেগার: ১/২ কাপ (সংরক্ষণের জন্য জরুরি)
-
লবণ ও চিনি: স্বাদমতো
-
হলুদ ও মরিচ গুঁড়ো: সামান্য (রঙের জন্য)
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রথমে নাগা মরিচগুলো ভালো করে ধুয়ে রোদে বা সুতি কাপড়ে মুছে একদম শুকিয়ে নিন। আচারে পানি থাকলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এবার মরিচগুলো মাঝখান থেকে ফালি করে বা কাঁচি দিয়ে ছোট করে কেটে নিন। (সতর্কতা: হাত সুরক্ষিত রাখতে অবশ্যই গ্লাভস ব্যবহার করুন)।
২. চুলায় কড়াই দিয়ে সরিষার তেল গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে আদা-রসুন বাটা ও সরিষা বাটা দিয়ে ভালো করে কষান। মশলা ভাজা হয়ে তেল ওপরে উঠে এলে তাতে হলুদ, মরিচ গুঁড়ো ও লবণ দিন।
৩. কষানো মশলায় সিরকা বা ভিনেগার ঢেলে দিন। বলক এলে কেটে রাখা নাগা মরিচগুলো দিয়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে নাড়তে থাকুন। মরিচ নরম হয়ে এলে এবং মশলার সাথে মাখা মাখা হয়ে গেলে ওপর থেকে পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ও সামান্য চিনি (স্বাদ ব্যালেন্স করতে) ছিটিয়ে দিন।
৪. আচারটি ঠান্ডা হয়ে গেলে কাঁচের বয়ামে ভরে রাখুন। খেয়াল রাখবেন আচারের ওপরে যেন সবসময় তেলের স্তর থাকে। মাঝে মাঝে রোদে দিলে এই আচার ১ বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।