আজ থেকে সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি এগিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত রোববার থেকে এ সংক্রান্ত অফিসিয়াল নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় অত্যন্ত জরুরি। এই কারণে সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ৯ মার্চ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জন্য একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নির্দেশনা
দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করা হবে; প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করা যাবে না।
অফিস চলাকালীন অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে।
এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে।
অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এসি) বন্ধ করতে হবে।
করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদিতে অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখতে হবে।
গাড়ি ব্যবহার সীমিত করতে হবে এবং জ্বালানিতে সাশ্রয়ী হতে হবে।
ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও কোচিং সেন্টার বন্ধ
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার জন্য রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময় দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকেও ক্লাস বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
গত রোববার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত জানান। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।