বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • আগেভাগে শনাক্ত করুন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির লক্ষণ

    আগেভাগে শনাক্ত করুন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির লক্ষণ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    হার্ট অ্যাটাক সবসময় সিনেমার মতো নাটকীয়ভাবে ঘটে না। অনেক সময় এটি ধীরে ধীরে শুরু হয়, এবং শরীর কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন আগে থেকেই সতর্ক সংকেত দেয়। কিন্তু সাধারণত এই সংকেতগুলো এতটাই সাধারণ মনে হয় যে মানুষ “গ্যাস”, “ক্লান্তি” বা “টেনশন” ভেবে এড়িয়ে চলে। চিকিৎসকরা বলছেন, আগেভাগে এই সংকেতগুলো চেনা গেলে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    হার্ট অ্যাটাকের আগের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত:

    ১️. বুকের মাঝখানে চাপ, ভার বা জ্বালাপোড়া অনুভূতি:
    রোগীরা সাধারণত এটি এমনভাবে বর্ণনা করেন:

    • “বুকের উপর ভারী কিছু চাপা আছে মনে হয়”
    • “টান টান অস্বস্তি”
    • “চেপে ধরা অনুভূতি”

    এটি ৫–২০ মিনিট স্থায়ী হতে পারে এবং কখনো আসে–যায়। অনেক সময় ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, চোয়াল, পিঠ বা ঘাড়ে ছড়িয়ে যেতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার সাথে তুলনা করে হার্টের ব্যথা শারীরিক পরিশ্রম বা মানসিক চাপের সময় বেড়ে যায়।

    ২️. অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট :

    • আগে যে সিঁড়ি সহজে উঠতেন, এখন উঠলেই হাঁপাচ্ছেন
    • গভীর শ্বাস নিতে কষ্ট
    • বুক ভরে বাতাস নিতে না পারা

    কখনো কখনো বুকের ব্যথা ছাড়াই শুধুমাত্র শ্বাসকষ্টই প্রধান লক্ষণ হতে পারে, বিশেষ করে নারী ও ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে। এটি ঘটে যখন হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করতে পারে না।

    ৩️. ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, অস্বস্তি ও হঠাৎ দুর্বলতা:

    • অকারণে ঠান্ডা ঘাম
    • বমি ভাব
    • মাথা হালকা লাগা
    • হঠাৎ শক্তি কমে যাওয়া

    এগুলো শরীরের “স্ট্রেস রেসপন্স”, যখন হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। অনেকেই এটিকে ফুড পয়জনিং বা গ্যাস্ট্রিক ভেবে ভুলভাবে এড়িয়ে যান।

    চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:

    • লক্ষণ ১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে অবহেলা করবেন না
    • দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যান
    • ECG ও Troponin পরীক্ষা করান
    • নিজের থেকে “গ্যাসের ওষুধ” খেয়ে অপেক্ষা করবেন না
    • ঝুঁকি বেশি থাকলে (ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, পারিবারিক ইতিহাস) নিয়মিত কার্ডিয়াক চেকআপ করুন

    চিকিৎসা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রথম ১–২ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা শুরু করলে মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। দেরি করলে হৃদপেশীর স্থায়ী ক্ষতি ঘটতে পারে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য:
    হার্টসহ দীর্ঘদিনের জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা পরিকল্পনা রোগীর অবস্থার বিস্তারিত মূল্যায়নের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ