পরাজিত প্রার্থীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় বিএনপি সংসদ সদস্যের

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী মো. আবুল কালাম নির্বাচনের পর সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর লাকসাম বাইপাস এলাকায় লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অবস্থিত ড. সরওয়ার সিদ্দিকীর অফিসে যান সংসদ সদস্য আবুল কালাম।
তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এ.কে.এম. সরওয়ার সিদ্দিকীর অফিসে ফুল ও মিষ্টি নিয়ে যান এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে আবুল কালাম বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্মান বজায় রাখা জরুরি। তিনি এলাকার উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে সরওয়ার সিদ্দিকীও এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালী করতে এমন সৌজন্য বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্থানীয় রাজনীতিতে এ ঘটনা সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ সময় উভয় নেতার মধ্যে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। বিজয়ী ও পরাজিত- দুই প্রার্থীর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা নয়। লাকসাম-মনোহরগঞ্জের মানুষ আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন এই এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। লাকসাম-মনোহরগঞ্জ হবে দেশের অন্যতম শান্তিপূর্ণ জনপদ; সেই লক্ষ্যেই আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অফিসে গিয়েছি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ এ কে এম সরওয়ার সিদ্দিকী বলেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমার পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ। ইতিবাচক রাজনীতিতে এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।