ভাত–খিচুড়ি জমে যাবে বরইয়ের চাটনিতে

বরই বা কুলকে কেউ পছন্দ না করার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। কাঁচা হোক বা পাকা, সব ধরনের বরইই সুস্বাদু এবং এটি খাদ্যতালিকায় বিশেষ স্থান দখল করে।বরই শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে প্রচুর মিনারেল, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও বি-১২, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সর্দি, কাশি ও ঠান্ডাজনিত সমস্যা উপশমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
স্বাস্থ্য সচেতনরা বরইকে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে তা শরীরকে সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতেও সাহায্য করে।
বরই দিয়ে ভর্তা, আচার তো হয়ই থাকে। তবে চাইলে বানাতে পারেন মুখরোচক চাটনিও। ভাত কিংবা খিচুড়ির সঙ্গে যদি এই চাটনি রাখলে খাবারের স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
কীভাবে বরইয়ের চাটনি তৈরি করবেন:
উপকরণ
১. পাকা বরই ২কাপ
২. খেজুরের গুড় ১ কাপ
৩. তেজপাতা ১টি
৪. শুকনা মরিচ ১টি
৫. পাঁচ ফোড়ন গুঁড়া আধা চা চামচ
৬. হলুদ গুঁড়া আধা চাচামচ
৭. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
৮. সরিষার তেল কাপ
৯. লবণ স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালি
পাকা বরই প্রথমে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সেই পানি ফেলে বরইগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ছাঁকনিতে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি কড়াইয়ে পরিমাণমতো তেল গরম করুন। তেল গরম হলে শুকনা মরিচও তেজপাতা দিয়ে ফোড়ন দিন। এবার ভেজানো বরই কড়াইতে দিয়ে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন এবং মাঝারি আঁচে মিনিট দুয়েক নেড়ে ভাজুন। বরই থেকে ঘ্রাণ বের হলে প্রয়োজনমতো পানি দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে হলুদ গুঁড়া ও মরিচ গুঁড়া যোগ করে খেজুরের গুড় দিয়ে দিন।
এরপর ঝোল ঘন হওয়া পর্যন্ত নাড়াচাড়া করতে থাকুন। মাঝারি আঁচেই রান্না করুন, যতক্ষণ না বরই নরম হয়ে আসে এবং অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে চাটনি ঘন হয়ে যায়। সবশেষে পাঁচফোড়ন গুঁড়া ছড়িয়ে দিয়ে অল্প আঁচে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে চুলা বন্ধ করুন। নামিয়ে পোলাও কিংবা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।