ঠাকুরগাঁওয়ে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪।
ভূমিকম্পটি স্বল্প সময় স্থায়ী হলেও স্থানীয়ভাবে হালকা কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূতাত্ত্বিক সূত্র জানায়, এই মাত্রার ভূমিকম্প সাধারণত বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয় না। তবুও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল মাঝেমধ্যেই মৃদু ভূমিকম্পের ঝাঁকুনির মধ্যে পড়ে, যা ভূতাত্ত্বিক গতিবিধির অংশ হিসেবেই বিবেচিত।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এ মৃদু ভূমিকম্প হয়।
অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের গভীরতা এখনো নিরূপণ করা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে এটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল। এছাড়া বেশিরভাগ মানুষ এটি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছে তারা।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, ঝাঁকুনি বেশ শক্তিশালী ছিল। বিশেষ করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈলের বাসিন্দারা এটি সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফা জানান, সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকা থেকে ৩৩১ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল।
এরআগে গত ৫ জানুয়ারি সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভোররাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওইদিন ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কম্পন অনুভূত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ভূকম্পন অনুভব করার কথা জানান।
নগরীর জিন্দাবাজার, উপশহর, আম্বরখানা, টিলাগড়, শাহপরান থানা এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় ও কম্পন অনুভূত হয়।