বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • ঘরে মশা মারার তেল ও কয়েল ব্যবহারে সাবধান

    ঘরে মশা মারার তেল ও কয়েল ব্যবহারে সাবধান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাতে শান্তির ঘুম নষ্ট করে মশার উপদ্রব। তাই অনেক ঘরে মশা মারার কয়েল বা মশার তেল ব্যবহার করা হয়। তবে এই ব্যবহারে লুকিয়ে রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। চিকিৎসক ও গবেষণা অনুযায়ী, মশা মারার কয়েল ও তেলের ধোঁয়া দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুস, চোখ এবং স্নায়ুতন্ত্রে ক্ষতি করতে পারে।

    আরেকটি প্রশ্ন আসে, মশার কয়েলে আসলে কী থাকে, যার জন্য এত ক্ষতি? চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

    কী থাকে মশা মারার কয়েলে

    বেশিরভাগ মশা নিধনকারী তেলে থাকে পাইরেথ্রয়েড নামের রাসায়নিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, নির্দিষ্ট মাত্রায় এই রাসায়নিক ব্যবহার নিরাপদ হলেও দীর্ঘ সময় বদ্ধ ঘরে শ্বাসের সঙ্গে ঢুকলে গুরুতর সমস্যার মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বদ্ধ ঘরে মশা মারার তেল জ্বালালে সেই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে ঘরে।

    মশা মারার কয়েলে কী ক্ষতি

    মশা মারার কয়েল বা তেল ব্যবহারে কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়, হাঁপানি বা অ্যালার্জি থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরো বেড়ে যায়।

    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন মশা নিধনকারী ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসে জ্বালা ও শ্বাসের সমস্যা হতে পারে।
    চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির সম্ভাবনা আরো বেশি। শিশুদের ফুসফুস ও স্নায়ুতন্ত্র পুরোপুরি গড়ে উঠতে সময় লাগে। তাই তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

    শিশুদের ক্ষেত্রে মাথা ঘোরা, বমিভাব, চোখ জ্বালার মতো সমস্যা হতে পারে।
    এ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক শ্বাসের মাধ্যমে ঢুকলে ভ্রূণের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন চিকিৎসকেরা।

    পাইরেথ্রয়েড মশাকে মারে। কিন্তু মানুষের শরীরে ঢুকলে মাথা যন্ত্রণা, মনোযোগ কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্নায়বিক দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে রাতে ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ এই বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে ঢোকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।

    বদ্ধ ঘরে তেলের ধোঁয়া জমে গেলে চোখ জ্বালা, চোখ লাল হওয়া, ত্বকে চুলকানি এই সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়।
    কী বলছে গবেষণা?

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, বদ্ধ ঘরে দীর্ঘক্ষণ মশা নিধনকারী ব্যবহার করলে ঘরের বায়ুদূষণ বেড়ে যায়। সেই বায়ুদূষণ ধূমপানের ধোঁয়ার মতোই ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে নিয়মিত ব্যবহারে।

    তাহলে কী করবেন?

    মশাকে তো আর ঘরে থাকতে দেওয়া যায় না। গবেষকরা বলছেন, ঘরে মশার তেল ব্যবহার করার সময় একটু জানালা খোলা রাখুন, শিশু ও বয়স্কদের ঘরে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, সম্ভব হলে মশারি, জানালায় জাল ব্যবহার করুন, ঘুমানোর আগে কয়েল জ্বেলে আগে মশা তাড়িয়ে তারপর ঘুমাতে যান।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ