ক্যালসিয়াম পানি বানানোর সহজ ধাপ ও খাওয়ার সঠিক নিয়ম

গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন
ক্যালসিয়াম শরীরের জন্য অপরিহার্য একটি ম্যাক্রো মিনারেল। হাড়, দাঁত, পেশী, রক্ত ও স্নায়ু কার্যকারিতায় এর ঘাটতি হলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। আধুনিক জীবনধারায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি খুব সাধারণ। শুধুমাত্র ট্যাবলেট খেলে এই ঘাটতি পূরণ হয় না। তবে আয়ুর্বেদিক জ্ঞান অনুযায়ী প্রাকৃতিক খাওয়ার যোগ্য চুন (Edible Grade Lime) ব্যবহার করে ক্যালসিয়াম ওয়াটার বানানো যেতে পারে, যা শরীরে সহজে শোষিত হয়।
ক্যালসিয়াম ওয়াটার বানানোর পদ্ধতি:
- ১ লিটার বিশুদ্ধ পানি একটি মাটির পাত্রে ঢালুন।
- এতে ৫–৬ গ্রাম প্রাকৃতিক চুনের টুকরা যোগ করুন।
- পানি গরম হয়ে চুন সম্পূর্ণ গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
- পাত্রটিকে তিন দিন রেখে দিন এবং দিনে ২–৩ বার কাঠের চামচ দিয়ে নাড়ুন।
- চতুর্থ দিনে উপরের স্বচ্ছ পানিটুকু আলাদা করে সংগ্রহ করুন।
- প্রয়োজনে ৭৫০ মিলি ক্যালসিয়াম পানিতে আধা গ্রাম খাঁটি জাফরান মিশিয়ে দিন। গ্রীষ্মে জাফরান ব্যবহার করবেন না।
খাওয়ার নিয়ম:
- প্রাপ্তবয়স্করা রাতে ১ চামচ ক্যালসিয়াম পানি ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। সর্বাধিক ৪–৫ চামচ দৈনিক।
- ৩–৬ বছর বয়সীদের জন্য ৮–১০ ফোটা, ৭–১২ বছর বয়সীদের জন্য ১০–১২ ফোটা, ১২–১৭ বছর বয়সীদের সর্বাধিক ২ চামচ।
- নিয়মিত সেবনের ক্ষেত্রে প্রতি ৩ মাস অন্তর ১৫ দিন বিরতি দিতে হবে।
উপকারিতা:
- লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
- রক্তে শূন্যতা হ্রাস পায়।
- পাচনতন্ত্র সক্রিয় হয় এবং ক্ষুধামন্দা কমে।
- দেহের এসিডিক অবস্থা কমে, রক্তের অ্যালকালিনিটি ফিরে আসে।
- শুক্রাণু হ্রাসের সমস্যায় পুরুষদের জন্য সহায়ক।
প্রাকৃতিক চুনের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম সম্পূরক গ্রহণ করলে শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেলগুলো সহজেই পূরণ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে হাড় ও দেহ সুস্থ থাকে।
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন