বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • গবেষকদের চাঞ্চল্যকর তথ্য বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

    গবেষকদের চাঞ্চল্যকর তথ্য বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পেট পুরে বা অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস কেবল অস্বস্তিকরই নয়, এটি আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (AHA) সাম্প্রতিক এক সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বিযুক্ত ভারী খাবার খাওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রায় চারগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন হঠাৎ বৃদ্ধি পায়, যা সরাসরি হৃদযন্ত্রের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের জন্য এই 'ওভারইটিং' বা অতিরিক্ত আহার প্রাণঘাতী হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশেষ করে যারা আগে থেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই ঝুঁকি অনেক বেশি।

    গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে শরীর অনেকটা তীব্র মানসিক চাপ বা প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের মতো প্রতিক্রিয়া দেখায়। যখন প্রচুর পরিমাণে চর্বিযুক্ত খাবার পাকস্থলীতে পৌঁছায়, তখন তা হজম করার জন্য শরীরকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় হজমে সহায়তার জন্য শরীরের অধিকাংশ রক্ত অন্ত্রের দিকে প্রবাহিত হয়।

    চিকিৎসকরা ব্যাখ্যা করেছেন যে, ভারী খাবার খাওয়ার ফলে রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয়ে যেতে পারে, যা হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। বিশেষ করে স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাখনযুক্ত গ্রেভি বা অতিরিক্ত আমিষজাতীয় খাবার রক্তকে সাময়িকভাবে ঘন করে তোলে।

    এর ফলে ধমনীর আস্তরণে কোলেস্টেরল জমা হওয়ার এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা হঠাৎ করেই হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বন্ধ করে হার্ট অ্যাটাক ঘটাতে পারে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই শারীরিক পরিবর্তনগুলো খাওয়ার পরপরই শুরু হয় এবং এর প্রভাব কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। যদিও সুস্থ ব্যক্তিদের শরীর এই অতিরিক্ত চাপ সামলে নিতে সক্ষম, তবে যাদের হৃদযন্ত্র কিছুটা দুর্বল, তাদের জন্য এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা সর্বদা পরিমিত ও সুষম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

    সুস্থ থাকতে হালকা খাবারের অভ্যাস করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং হৃদযন্ত্রের জন্য সহায়ক জীবনযাপন বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন তারা


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন