বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • হতাশা কাটানোর ১১টি কার্যকর ‘নিনজা’ টেকনিক

    হতাশা কাটানোর ১১টি কার্যকর ‘নিনজা’ টেকনিক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বর্তমান সময়ের ব্যস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক জীবনে ‘হতাশা’ একটি নীরব ঘাতক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হতাশা এমন এক মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যা মানুষকে স্থবির করে দেয় এবং অলস বসে থাকলে এটি আরও শক্তিশালী হয়। সম্প্রতি জীবনধারা বিষয়ক গবেষকগণ হতাশার অন্ধকার কাটিয়ে ওঠার জন্য কিছু বিশেষ ‘নিনজা টেকনিক’ বা কার্যকর কৌশলের কথা তুলে ধরেছেন।

    থামা যাবে না, চলতে হবে

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হতাশা কাটাতে প্রথম শর্ত হলো—থামা যাবে না। শরীর ও মনকে সচল রাখার মাধ্যমেই এই যুদ্ধ জয় সম্ভব।

    ১. শারীরিক সক্রিয়তা: শুয়ে-বসে থাকলে মস্তিষ্ক হতাশাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নেয়। তাই নড়াচড়া ও কাজের মধ্যে থাকতে হবে। শরীরকে সক্রিয় রেখে ব্রেইনকে সংকেত দিতে হবে যে আপনি ভেঙে পড়েননি।

    ২. ক্ষুদ্র দৌড়: মাত্র ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ড দ্রুত দৌড়ালে শরীরে ‘ডোপামিন’ হরমোন নিঃসৃত হয়। এতে শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ে, যা তাৎক্ষণিকভাবে মনকে হালকা করতে সাহায্য করে।

    ৩. পর্যাপ্ত পানি পান: পানিশূন্যতা শরীর ও মনকে দ্রুত ক্লান্ত করে। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৪ লিটার পানি পানের অভ্যাস গড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ৪. প্রকৃতির সান্নিধ্য: খালি পায়ে ঘাসে হাঁটা কিংবা কিছুক্ষণ রোদে দাঁড়ানোকে ‘নিঃশব্দ থেরাপি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রকৃতির ছোঁয়া মানসিক চাপ দ্রুত কমিয়ে দেয়।

    ৫. নিজের যত্ন ও ছোট আনন্দ: পছন্দের খাবার বা শীতের পিঠা খাওয়া—এসব ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করা নিজেকে ভালোবাসা বা ‘সেলফ-কেয়ার’-এর অংশ।

    ৬. নেতিবাচকতা বর্জন: যে মানুষ, সামাজিক মাধ্যম বা কনটেন্ট আপনার হতাশা বাড়ায়, তা নীরবে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    ৭. আবেগ ভাগ করে নেওয়া: মনের কথাগুলো বিশ্বাসযোগ্য কোনো বন্ধুর সাথে ভাগ করলে কষ্টের বোঝা হালকা হয়।

    ৮. দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: মনে রাখতে হবে, খারাপ সময় চিরস্থায়ী নয়। সবার জীবনের সময়রেখা ভিন্ন, তাই অন্যের সাফল্যের সাথে নিজের তুলনা করে মনকে ভারাক্রান্ত করা উচিত নয়।

    বাইরে থেকে যাদের সুখী মনে হয়, তারা সবাই ভেতরে কোনো না কোনো যুদ্ধ লড়ছেন। জন্মের আগে কোটি শুক্রাণুর প্রতিযোগিতায় জিতে আসা একজন মানুষ জন্মগতভাবেই অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই সাময়িক কোনো কারণে ভেঙে পড়া কোনো সমাধান নয়।

    সাহসের সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করাই হলো হতাশা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ। “আপনি পারবেন”—এই আত্মবিশ্বাসই হতে পারে অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফেরার মূল শক্তি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ