বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • আইন প্রয়োগ না হওয়ায় কর্মরত অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা : প্রসিকিউটর

    আইন প্রয়োগ না হওয়ায় কর্মরত অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা : প্রসিকিউটর
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজি মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জানিয়েছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে এখনো ১৫ জন কর্মরত রয়েছেন। তিনি জানান, এসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রসিকিউটর আরও বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা, সে পদে অভিযুক্তরা থাকলেও ন্যায়বিচার থেকে কেউ রেহাই পাবে না।

    রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোনাওয়ার হুসাইন এ কথা বলেন।

    একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আপনি সেনা কর্মকর্তাদের সার্ভিং বলছেন। কিন্তু সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই তাদের চাকরি থাকার কথা নয়। তাহলে সেনা কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত নাকি চাকরিরত, কোনটা বলা হবে?’

    এর জবাবে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, যেটা আইনে বলা আছে, সেটাই আইনের ব্যাখ্যা। এখন সেনা সদর দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে যে এই আইন কবে তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবে। যতক্ষণ প্রয়োগ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো সার্ভিং (কর্মরত) বলাই যেতে পারে।

    মামলা তিনটির মধ্যে দুটি হচ্ছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। অন্যটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। এসব মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা এখনো কর্মরত। ১ জন এলপিআরে (অবসরোত্তর ছুটিতে) আছেন, আর ৯ জন সেনা কর্মকর্তা অবসরে।

    সেনাদের হাজিরের দিন বদল

    সেনা কর্মকর্তাদের শুনানির তারিখ পরিবর্তন হয়েছে জানিয়ে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, এই দুটি মামলার পরবর্তী তারিখ ছিল ২০ নভেম্বর। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আজ এই মামলার তারিখ পরিবর্তনের জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর এই দুটি মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের নিজস্ব জটিলতার (ডিফিকাল্টি) কারণে এই সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন