ওয়ানডে সিরিজে সুপার ওভারে ১ রানে পরাজিত বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাইফ হাসানের চমকপ্রদ বোলিংয়ে বাংলাদেশ মূল ম্যাচে টাই ফিরে এনেছিল। তবে সুপার ওভারে সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি দলটি, ফলে জয় অর্জন করতে পারেনি। সাইফ হাসানের একক পারফরম্যান্স ম্যাচের উত্তেজনা বাড়ালেও শেষ মুহূর্তে ফল বাংলাদেশর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত হলো।
সুপার ওভারে বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান, সেই ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ রান সংগ্রহ করে। ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৯ রানে থেমে যায়। ফলে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম সুপার ওভারেই হারের তেতো স্বাদ পেল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
সুপার ওভারের দায়িত্ব পেয়েছিলেন অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলে সিঙ্গেল নিলেও, দ্বিতীয় বলেই শেরফান রাদারফোর্ডকে আউট করে আশা জাগান তিনি। কিন্তু এরপর সেই আশা ধরে রাখতে পারেননি। ব্রেন্ডন কিংয়ের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য ১ রানের পথ খুলে দেয়। শেষ বলে হোপের ব্যাটের কানায় লেগে বাউন্ডারি হলে সুপার ওভার থেকে উইন্ডিজ তোলে ১০ রান। বাংলাদেশের জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ রান।
১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যাট করতে নামেন সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। বোলিংয়ে আসেন আকিল হোসেইন। প্রথম বলটিই ওয়াইড হওয়ায় এবং পরের বলটিতে সৌম্য সরকারের ২ রান ও আম্পায়ারের ‘নো বল’ ডাকার কারণে, ১ বল থেকেই ৫ রান এসে যায়। তাতে মনে হচ্ছিল জয় হাতের মুঠোয়।
কিন্তু এরপরই ছন্দপতন। সাইফ স্ট্রাইকে এসে প্রথম বলটি মিস করেন। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নেন সাইফ, তখন ৩ বলে সমীকরণ দাঁড়ায় ৫ রানে। এরপর চতুর্থ বলে সৌম্য সরকার ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন, যা দলকে আরও চাপে ফেলে দেয়।
২ বলে যখন ৫ রান প্রয়োজন, তখন নাজমুল হোসেন শান্ত নেমে সিঙ্গেল নেন। এরপর আকিল হোসেইন আরও একটি ওয়াইড দেন। কিন্তু শেষ বল থেকে আসে মাত্র ১ রান। ফলে সুপার ওভার থেকে বাংলাদেশ ৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি এবং ম্যাচটি ১ রানে জয়লাভ করে সিরিজে ১-১ সমতা আনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।