ডাকসুর নবনির্বাচিতদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুভেচ্ছা বার্তা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদে নির্বাচিত নতুন প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনটি বলেছে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি সমতা ও অংশীদারিত্বমূলক শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশিদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “আমরা আশা করি নবনির্বাচিতরা রাজনৈতিক বিভাজন বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করবেন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মিলেমিশে গঠনমূলক উদ্যোগ নিলে ডাকসু ও হল সংসদ হবে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অভিভাবক।”
সংগঠনটি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার রক্ষা ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তুলতে তারা নতুন নেতৃত্বের পাশে থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। দীর্ঘদিনের ভোটাধিকারের লড়াই ও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সকল নির্বাচিত প্রার্থীকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
একই সঙ্গে সংগঠনটি নতুন নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা দায়িত্ব পালনে ইনসাফ (ন্যায়বিচার) কায়েম রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন এবং তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকসুর সফলতা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানায়, ডাকসু-২০২৫-এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পর ভোটের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রায় উত্তরণ করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে, যারা জয়ী হয়েছেন, তারা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবেন।
সবশেষে, বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদেরও ডাকসুর নতুন নেতৃত্বকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সকলে একত্রিত থেকে নতুন নেতৃত্বকে সহযোগিতা করবেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী রাখবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা করবেন।