বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • গম নাকি জোয়ারের রুটি, নাশতায় কার জন্য ভালো?

    গম নাকি জোয়ারের রুটি, নাশতায় কার জন্য ভালো?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সকালের নাশতায় বা দিনের হালকা নাশতায় অনেকেই রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ গমের রুটি পছন্দ করেন, কেউ জোয়ারের। দু’টাই প্রাচীনকালে শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।

    গমের রুটি আরামদায়ক, নরম ও বেশ পরিচিত খাবার। আবার জোয়ার বা সোরঘামের রুটিতে কিছুটা মাটির ঘ্রাণ থাকে। অতিরিক্ত ফাইবার ও খনিজ উপাদান থাকে জোয়ারের রুটিতে। পছন্দ অনুযায়ী কেউ গমের রুটি খান, আবার কেউ জোয়ারের রুটি বেছে নেন। কিন্তু কোন রুটি কার জন্য ভালো, তা জানা নেই আমাদের। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।

    গমের রুটির স্বাদ ও পুষ্টিগুণ:
    গম থেকে আটা তৈরি হয়, তা দিয়েই তৈরি হয় রুটি। এটি সাধারণত গ্লুটেনযুক্ত ও সহজপ্রাচ্য শস্য। এতে মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI 60–70) থাকে, অর্থাৎ, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীর গতিতে বাড়ায় এবং তা দীর্ঘ সময় বজায় রাখে।

    উপকারিতা:
    গমের রুটি খাওয়া হলে তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে এবং যা দীর্ঘস্থায়ী পেট ভরিয়ে রাখে। অধিকাংশ সময় তরকারি বা ডালের সঙ্গে খাওয়ার উপযোগ্য গমের রুটি। তবে গ্লুটেন সেনসিটিভিটি থাকলে এই রুটি না খাওয়াই ভালো। এতে সমস্যা হতে পারে।

    জোয়ারের রুটির বিশেষত্ব:
    জোয়ার হচ্ছে একটি গ্লুটেনমুক্ত প্রাকৃতিক শস্য। যা সোরঘাম নামেও বেশ পরিচিত। ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে জোয়ারে। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ৫০, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক।

    উপকারিতা:

    • গ্লুটেনমুক্ত: গ্লুটেনে অনেকেরই সমস্যা রয়েছে। তাই তাদের জন্য জোয়ারের রুটি উপযুক্ত।
    • ফাইবারসমৃদ্ধ: জোয়ারের রুটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে।
    • হজমে সহায়ক: অন্ত্র ভালো ও পরিষ্কার রাখে।

    স্বাদে ও প্রয়োগে পার্থক্য:
    গমের রুটি নরম, তুলতুলে ও সহজেই বানানো যায়। ভাজার সময় তাওয়ায় বেশ সুন্দরভাবে ফুলে উঠে। কিন্তু জোয়ারের রুটি কিছুটা শক্ত এবং এ কারণে তা ভেঙে যায়। তৈরির করার জন্য অভ্যাসও প্রয়োজন। তবে এটি হালকা, পরিপূর্ণ ও সুষম খাবারের অংশ হিসেবে দুর্দান্ত কাজ করে।

    কোনটি কখন খাবেন:
    ব্যস্ত দিনে সকালের নাশতায় গমের রুটি তৈরি করা সহজ। এ জন্য সময় কম থাকলে গমের রুটি খেতে পারেন। আর গ্রীষ্মকালে বা হজমের জন্য জোয়ার রুটি খেতে পারেন। এটি শরীর ঠান্ডা রাখবে। আবার যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন বা ওজন কমাতে চান, তারাও নিয়মিত জোয়ারের রুটি খেতে পারেন। তবে যারা নতুন কিছু ট্রাই করতে চান, তারা সময় থাকলে গম ও জোয়ার মিশিয়ে হাইব্রিড রুটি তৈরি করতে পারেন।

    পরামর্শ:
    প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য থাকা ভালো। গম ও জোয়ারের রুটি একদিন পরপর খাওয়া বা একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উপকারী। দুটিই বেশ ভালো। শরীরের চাহিদা, রুচি ও হজমশক্তির ওপর নির্ভর করে নির্বাচন করুন, কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত বা উপকারী।


    দৈএনকে/ জে. আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ