বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী জিয়াউর রহমান হত্যা তদন্ত কমিশনের অপ্রকাশিত প্রতিবেদনে কী আছে হাম কেড়ে নিল আরও ৩ শিশুর প্রাণ
  • এবার বিজ্ঞানীরা নতুন রক্তের গ্রুপ শনাক্ত করেছেন

    এবার বিজ্ঞানীরা নতুন রক্তের গ্রুপ শনাক্ত করেছেন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দীর্ঘ সময় পর ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের ৪৮তম নতুন রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করেছেন। নতুন রক্তের গ্রুপটি গোয়াডেলুপ নামক ক্যারিবীয় অঞ্চলের এক নারীর শরীরে। বিজ্ঞানীরা এই রক্তের গ্রুপের নাম দিয়েছেন ‘গোয়াদা নেগেটিভ’, যা ওই নারীর আঞ্চলিক পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ২০১১ সালে ওই নারী একটি সার্জারির আগে রুটিন রক্ত পরীক্ষায় অংশ নেন। তখনই তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি শনাক্ত করা হয়। কিন্তু তখন পর্যাপ্ত প্রযুক্তি ও গবেষণা সামর্থ্য না থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান সম্ভব হয়নি। পরে, ২০১৯ সালে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষকরা এই বিরল জিনগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

    এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ফ্রেঞ্চ ব্লাড এস্টাবলিশমেন্ট (EFS), যেটি ফ্রান্সের জাতীয় রক্ত সঞ্চালন সংস্থা। তারা এটিকে “বিশ্বে প্রথম” বলেও উল্লেখ করেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই নারীই এই রক্তের গ্রুপের একমাত্র পরিচিত বাহক। এর অর্থ হলো, তার শরীরে যদি কখনো রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে কেবল নিজের রক্তই তার জন্য উপযোগী।

    গবেষকদের মতে, এটি বংশগত রোগ, যার ফলে ধারণা করা হচ্ছে, তার মা ও বাবা উভয়েই সংশ্লিষ্ট জিনের রূপান্তরিত রূপ বহন করেন।এই রক্তের গ্রুপটি সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশনকর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। ফ্রেঞ্চ ব্লাড এস্টাবলিশমেন্ট-এর বায়োলজিস্ট থিয়েরি পেয়ারার মতে, রক্তের নতুন গ্রুপ শনাক্ত করা মানে হচ্ছে  বিরল রক্তধারী রোগীদের জন্য আরও উন্নত চিকিৎসা ও যত্ন নিশ্চিত করা।

    বর্তমানে গবেষকরা চেষ্টা করছেন বিশ্বজুড়ে আরও এমন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে, যাদের শরীরেও ‘গোয়াদা নেগেটিভ’ রক্তধারা থাকতে পারে। এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা গেলে, ভবিষ্যতে এই বিরল গ্রুপধারীদের চিকিৎসায় অনেকটা সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ