বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • ডায়াবেটিসে পাকা আম: সতর্কতা ও পরামর্শ

    ডায়াবেটিসে পাকা আম: সতর্কতা ও পরামর্শ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ডায়াবেটিস রোগীরা কি পাকা আম খেতে পারবেন!

    পাকা আমে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে, যা রক্তের শর্করা (ব্লাড সুগার) বাড়াতে পারে। তবে, ডায়াবেটিস রোগীরা পাকা আম খেতে পারবেন, তবে এটি সতর্কতার সাথে এবং সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। পাকা আমের মধ্যে অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে, যেমন ভিটামিন সি, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, এবং মিনারেলস, যা শরীরের জন্য উপকারী, তবে এর শর্করা পরিমাণ বেশি হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

    ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম খাওয়ার কিছু পরামর্শ:

    1. সীমিত পরিমাণে খাওয়া:
      পাকা আমের শর্করার পরিমাণ বেশি, তাই এটি দিনে একটি ছোট টুকরো বা আধা একটি আমের মতো সীমিত পরিমাণে খাওয়াই ভাল। এটি রক্তে শর্করার স্তর খুব একটা বাড়ায় না, তবে অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করা উচিত।

    2. ফাইবার সমৃদ্ধ আম নির্বাচন:
      আমে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা হজমে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করা বাড়াতে প্রতিরোধ করে। তবে, আমের খোসাসহ খাওয়ার চেষ্টা করুন, কারণ এতে বেশি ফাইবার থাকে।

    3. মিষ্টি আমের পরিবর্তে টক আম খাওয়া:
      টক আমে শর্করা কম থাকে এবং এটি রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিশেষত, পাকা আমের চেয়ে অল্প পাকা বা টক আম খাওয়াই ভাল হতে পারে।

    4. অন্য খাবারের সাথে খাওয়া:
      আম একা না খেয়ে, অন্যান্য খাবারের সাথে খাওয়ার চেষ্টা করুন, যেমন সালাদ বা অন্য সবজি। এতে শর্করা ও চিনি দ্রুত শোষিত হবে না এবং রক্তে সুগারের পরিমাণ একসাথে নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    5. ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া:
      যেহেতু প্রতিটি ডায়াবেটিস রোগীর শরীরের চাহিদা আলাদা, তাই নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আম খাওয়া ভাল। আপনার ডায়াবেটিসের অবস্থা, ওষুধের ডোজ এবং খাবারের পরিমাণ অনুযায়ী এটি নিরাপদ হতে পারে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ