কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে নিতে পাঁচ বছরের পরিকল্পনা

কর আদায় বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব কৌশল গ্রহণ করেছে। এর আওতায় কর প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তর, অনলাইন উৎসে কর কর্তন সম্প্রসারণ এবং করদাতাদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কর ফাঁকি রোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা জোরদার, করদাতার তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধকরণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় ও অব্যাহতি কমিয়ে রাজস্ব ব্যয় হ্রাসের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার ব্যবস্থাপনা, কাস্টমস সংস্কার, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট এবং বকেয়া রাজস্ব আদায় কার্যক্রম শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় শুল্কনীতি ও কাস্টমস কৌশলগত পরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করা এবং বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।