মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • তরুণের চেয়ে প্রবীণ বেশি হবে বাংলাদেশে, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক তুরাগে সাবেক বিমান কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, দীপের রিমান্ড বাড়ল ৩ দিন আজারবাইজান থেকে ফিরেই পুরস্কার পেলেন কিশোর ফুটবলাররা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ ছানি অপারেশন, বিতরণ করা হবে ১ কোটি চশমা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই চার দিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব, সরবরাহ কমতে পারে: পেট্রোবাংলা মিরপুরে একা পেয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি ২৪ ঘণ্টায় হামে ৬ মৃত্যু, সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত ৫৪৬ জন ঢাকায় ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলা যাবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
  • আজ জেলহত্যা দিবস, কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতাকে স্মরণের দিন

    আজ জেলহত্যা দিবস, কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতাকে স্মরণের দিন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চার সংগঠক ও জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। রাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কারাগারের মতো সুরক্ষিত স্থানে তাঁদের হত্যার ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর শোকাবহ অধ্যায়।

    মুক্তিযুদ্ধের সময় এই চার নেতা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। স্বাধীনতার পরও তাঁরা রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ওই বছরের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে কারাগারের ভেতরে তাঁদের ওপর গুলি চালানো হয়। পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

    পরদিন চার নেতার হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে সংঘটিত অন্যতম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মারক হয়ে আছে।

    জেলহত্যা মামলায় ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    প্রতি বছর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জেলহত্যা দিবস পালন করা হয়। তাঁদের অবদান ও আত্মত্যাগ স্মরণ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন