বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • শিশুদের খাবারের মান রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি ববি হাজ্জাজের

    শিশুদের খাবারের মান রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি ববি হাজ্জাজের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে শিশুদের জন্য সরবরাহকৃত পুষ্টিকর খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    রোববার (২৪ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিড-ডে মিল কর্মসূচি শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তাই এ কাজে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

    তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু রয়েছে। প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্টদের জন্য বিব্রতকর হবে।

    সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব হলেও শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

    সভায় তিনি নতুন কিছু নির্দেশনাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে পুরো সাপ্লাই চেইনের বিস্তারিত ম্যাপিং, ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ, স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং মান নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা।

    তিনি বলেন, খাদ্য কোথা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে স্কুলে পৌঁছাচ্ছে—এসব বিষয়ে সরকারের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য থাকতে হবে।

    ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শিশুদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা। এজন্য সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে, তবে দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

    সভায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন।

    তিনি জানান, এটি একটি পাইলট কর্মসূচি। বর্তমান সমস্যাগুলো সমাধান করে ভবিষ্যতে এটি আরও বিস্তৃতভাবে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।

    সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন