স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি পদকপ্রাপ্তদের হাতে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা তুলে দেন।
এদিন বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর আগে দুপুর ২টার দিকে তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন এবং ৩টা ৩৭ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক অনুষ্ঠানেও তিনি একইভাবে হেঁটে যোগ দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় তিনি মন্ত্রিপরিষদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও দেশগঠনে অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এছাড়াও বিশিষ্টজনদের তালিকায় রয়েছেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত, বিজ্ঞানে অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংগীতে বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান লিনু এবং সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার বাবু এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমানসহ (মরণোত্তর) মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই সম্মাননা পেয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসাবিদ্যা), পিকেএসএফ (পল্লী উন্নয়ন), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (সমাজসেবা)।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে সরকার।