জুলাই সনদ থেকে সরে দাঁড়ানো হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত

হাইকোর্টে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার সভার শপথ গ্রহণ, গণভোটের প্রশ্ন এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে চার সপ্তাহের রুল জারির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পছন্দসই ফল পাওয়ার উদ্দেশ্যে আদালতকে ব্যবহার করার পুরোনো কৌশল পরিহার করা উচিত। সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে দাঁড়ায়, তবে তা জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থি হবে।
মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রাজনৈতিক বিষয়কে আদালতের বারান্দায় টেনে নেওয়া সমীচীন নয়। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার ফল ইতিবাচক হয়নি; বরং তা জাতীয় জীবনে বিভ্রান্তি ও অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের আচরণে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রাজনৈতিক দায় এড়িয়ে আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চলছে। পরিকল্পিতভাবে রিট দায়ের করিয়ে পর্দার আড়াল থেকে প্রভাব বিস্তার করা হলে তা দ্বিচারিতা ও আত্মঘাতী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনগণ ও জুলাই সনদকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর যেকোনো অপচেষ্টা জাতীয় ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এ ধরনের হঠকারী পদক্ষেপ থেকে বিরত থেকে সংলাপ ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।