শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ কর্মক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি

দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ কর্মক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা আর প্রতিযোগিতার ভিড়ে 'অ্যানজাইটি' বা দুশ্চিন্তা এখন অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সামান্য দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক হলেও এটি যখন দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন তা শরীরের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে শুরু করে। আপনি যদি স্বভাবগতভাবে এনজাইটি বা অস্থির ধাঁচের মানুষ হন, তবে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ আপনার প্রাত্যহিক জীবনকে বিষিয়ে তুলতে পারে।

যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না
বিশেষজ্ঞরা এনজাইটির বেশ কিছু সাধারণ কিন্তু যন্ত্রণাদায়ক লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন:

  • বিরামহীন চিন্তা: মস্তিষ্ক বিশ্রাম নিতে চায় না, সারাক্ষণ কোনো না কোনো চিন্তা চলতেই থাকে।
  • অতীতের ব্যবচ্ছেদ: কারো সাথে কথা শেষ হওয়ার পরও বারবার সেই কথোপকথন মনে পড়া এবং নিজের ভুল খোঁজা।
  • অকারণে ভয়: মনে হওয়া যে আপনি বড় কোনো ভুল করেছেন বা কারো বকুনি খেতে যাচ্ছেন।
  • শারীরিক অস্বস্তি: টেনশন থেকে মাথাব্যথা, কাঁধে টান ধরা, এমনকি হঠাৎ পেটের সমস্যা দেখা দেওয়া।
  • ক্রমাগত ক্লান্তি: দীর্ঘক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পরও শরীর ও মনের অবসাদ না কাটা।

কখন এটি বিপদের সংকেত?
চিকিৎসকদের মতে, আমাদের সবার মধ্যেই কমবেশি এনজাইটি থাকে। এর একটি বা দুটি লক্ষণ থাকা মানেই আপনি অসুস্থ নন। তবে সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন এই লক্ষণগুলো দীর্ঘদিন ধরে আপনার স্বাভাবিক কাজকর্মে বা সামাজিক জীবনে বড় ধরণের বাধা সৃষ্টি করে।

দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত এনজাইটি মানুষের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে আয়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

যদি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় এবং সারাক্ষণ খিটখিটে মেজাজ বা অস্থিরতা কাজ করে, তবে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উত্তম। সঠিক কাউন্সেলিং এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন আপনাকে এই 'অদৃশ্য বন্দিদশা' থেকে মুক্তি দিতে পারে।


দৈএনকে/জে, আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন