শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • যুক্তরাষ্ট্রে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার জ্বালানি সংকটে সরকার নির্ধারণ করলো সীমিত তেল এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ২৩০ টাকা, ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে বিএনপি এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ইরান ইস্যুতে অবস্থান বদল ট্রাম্পের, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিডার সাবেক নির্বাহী সদস্য, স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার বিআরটিসি চালু করছে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’, সব কর্মী নারী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদের আগে শক্তিশালী ঝড়ের আশঙ্কা
  • ভোটের পর প্রথম সপ্তাহে শেয়ারবাজারে ‘জেড’ গ্রুপের দাপট

    ভোটের পর প্রথম সপ্তাহে শেয়ারবাজারে ‘জেড’ গ্রুপের দাপট
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়েছে লভ্যাংশ না দেওয়া বা দুর্বল আর্থিক অবস্থার ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত কোম্পানিগুলো। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ সপ্তাহজুড়ে দাম বাড়ার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই ছিল ‘জেড’ গ্রুপের। ভালো মানের ‘এ’ গ্রুপের কোনো কোম্পানি এই তালিকায় স্থান পায়নি; ছিল শুধু একটি ‘বি’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।

    ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে ‘এ’, ‘বি’, ‘এন’ ও ‘জেড’—এই চার গ্রুপে ভাগ করা হয়। ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানি থাকে ‘এ’ গ্রুপে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দিলে তা ‘বি’ গ্রুপে পড়ে। যারা লভ্যাংশ দেয় না, তারা ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত। নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে রাখা হয় ‘এন’ গ্রুপে।

    গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড-এর শেয়ারের। ২০১৯ সালের পর থেকে লোকসানের কারণে ব্যাংকটি কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই দর বেড়েছে। এক সপ্তাহে শেয়ারদর বেড়েছে ২৯ দশমিক ২৭ শতাংশ বা ১ টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারপ্রতি দাম ছিল ৪ টাকা ১০ পয়সা, যা শেষে দাঁড়ায় ৫ টাকা ৩০ পয়সায়। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩২১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭০টি। এতে এক সপ্তাহে বাজারমূলধন বেড়েছে প্রায় ৩৮৬ কোটি ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার ৪৮৪ টাকা।

    দাম বাড়ার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি। ২০১৩ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এক সপ্তাহে শেয়ারদর বেড়েছে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ৮০ পয়সা।

    তৃতীয় স্থানে থাকা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল ২০২৩ সালের পর আর লভ্যাংশ দেয়নি। তাদের শেয়ারদর বেড়েছে ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বা ৩ টাকা ৩০ পয়সা।

    এরপর রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, যার শেয়ারদর বেড়েছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের পর থেকে লভ্যাংশ দেয়নি। একই হারে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর শেয়ারদর; ২০১৭ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি লভ্যাংশ দেয়নি।

    প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট-এর শেয়ারদর বেড়েছে ২২ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ২০১৯ সালের পর কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।

    শীর্ষ তালিকায় ‘জেড’ গ্রুপের বাইরে থাকা একমাত্র প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল কম্পিউটার। কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২২ শতাংশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগে ২০২৩ ও ২০২২ সালেও একই হারে লভ্যাংশ প্রদান করে।

    শীর্ষ দশে থাকা বাকি তিনটি কোম্পানিও ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত। ফ্যামেলিটেক্স-এর শেয়ারদর বেড়েছে ২০ শতাংশ; ২০১৮ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি লভ্যাংশ দেয়নি। তুং হাই নিটিং-এর শেয়ারদর বেড়েছে ২০ শতাংশ; ২০১৬ সালের পর থেকে কোনো লভ্যাংশ নেই। আর সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর শেয়ারদর বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬১ শতাংশ; ২০১৯ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি লভ্যাংশ দেয়নি।

    নির্বাচনের পর বাজারে দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় লভ্যাংশহীন কোম্পানিগুলোর আধিপত্য বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন