শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ইয়েমেনে হুথিদের আরও দুই ঘাঁটি দখলের দাবি সেনাবাহিনীর কালকিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা; সভাপতি রকিবুজ্জামান ও সাধারন সম্পাদক কাইয়ুম আজমানে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের পরিচালনায় 'সাইনিং সুপারমার্কেট'র শুভ উদ্বোধন জাসদ কার্যালয় 'গোপন বৈঠক’ আ. লীগ সন্দেহে শতাধিক নেতাকর্মী আটক গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ নয়: তথ্য উপদেষ্টা সচিব পরিচয়ে ফাঁদ, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ তানভীরের কারাগারে নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন: বগুড়া কারা কর্তৃপক্ষ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা মামদানিকে ‘হামাসের বন্ধু’ বলায় নেতানিয়াহুর সমালোচনায় ইহুদি নেতারা তুরস্ককে হারিয়ে জিদানের কোচিং অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স
  • রমজানে লেবু-মরিচের দাম কমলেও শসার দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে

     রমজানে লেবু-মরিচের দাম কমলেও শসার দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রমজান মাসের শুরুতেই রাজধানীর বাজারগুলোতে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া লেবু ও কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমেছে। এক পিস লেবুর দাম ৪-৭ টাকা কমেছে।

    তেমনই কাঁচা মরিচের দামও এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কমে ১০ টাকা হয়েছে। তবে শসা এখনও আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

    বাজার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ কিছুটা বেড়ে আসায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতাদের বলছে, সামনের দিনগুলোতে দাম আবার ওঠানামা করতে পারে।

    পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, রমজানের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ও বাজার নিয়ন্ত্রকদের কার্যকর মনিটরিং প্রয়োজন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও ও মালিবাগের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রোজার শুরুতে লেবু ও কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমেছে।

    ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ কিছুটা বেড়ে আসা এবং চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় লেবু ও মরিচের দাম হ্রাস পেয়েছে। লেবুর হালি (৪টি) বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়, যা গতকাল ছিল ৮০-১০০ টাকা। অর্থাৎ একদিনে এক হালির দাম ২০-৩০ টাকা কমেছে। কাঁচা মরিচের দামও কমে এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) ৪০ টাকায় এসেছে, যা আগের দিন ৫০ টাকা ছিল।

    তবে শসার দাম এখনও চড়া রয়েছে। দেশি শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায় এবং হাইব্রিড শসা ১১০-১২০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন শসার মৌসুম না হওয়ায় এবং রোজার কারণে চাহিদা বেশি থাকায় দাম এখনও কমেনি।

    খিলগাঁও ও মালিবাগের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় লেবু কিছু ব্যবসায়ী ৭০ টাকায় হালি বিক্রি করছেন। তবে লেবু বিক্রি কম হওয়ায় দাম আরও কমতে পারে।

    ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, লেবু ও শসার দাম স্বাভাবিক নয়। এক পিস লেবু ১৫ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। নাসরিন সুলতানা বলেন, “লেবুর ডজন ৬০ টাকা এবং শসার কেজি ৫০-৬০ টাকায় হওয়া উচিত। বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।”

    রামপুরার গৃহিণী সুমি আক্তার বলেন, “নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে এই দামে লেবু বা শসা কেনা সম্ভব নয়। সরকারের উচিত দ্রুত বাজার তদারকি বাড়ানো।”

    বাজার ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরবরাহ আরও বাড়লে লেবু ও মরিচের দাম কমতে থাকবে। তবে শসার দাম কমতে কিছু সময় লাগবে, কারণ এখন বাজারে সরবরাহ সীমিত।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন