পাইকারিতে রমজানের আগুন: খুচরা ক্রেতাদের জন্য চাপ

রমজানের শুরুতেই পাইকারি বাজারে লেবু সহ ইফতারের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাব শিগগিরই খুচরা বাজারেও পড়বে।
পাইকারি বিক্রেতাদের বক্তব্য, বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় সামগ্রীগুলোর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তারা আশ্বাস দিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই পর্যাপ্ত সরবরাহ পুনরায় নিশ্চিত হওয়ায় দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রমজান মাসে তীব্র চাহিদার কারণে সাময়িক দাম বৃদ্ধি স্বাভাবিক। কিন্তু বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হলে ইফতারের প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম স্থিতিশীল হবে।
রমজান ঘিরে প্রতিবছরই বাড়ে নিত্যপণ্যের দাম। এবারও পাইকারি বাজারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে অনেক পণ্য।
একটু কম দামে পণ্য কেনার আশায় গভীর রাতে পাইকারি বাজারে ছুটে আসেন অনেক ক্রেতা। তবে তাদের চোখেমুখে হতাশা ও ক্ষোভ। ইফতারে প্রয়োজনীয় দাম বেড়েছে অনেক। বিশেষ করে শরবতের প্রধান উপকরণ লেবু কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে লেবু হালি প্রতি ২০ থেকে ৩০ বেড়ে পাইকারি ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর শসা ও বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। এছাড়া মরিচ ৮০-১২০, টমেটো ৩০-৫০, ধনেপাতা ৭০ ও গাজর ৩০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে।
অপরদিকে বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে দাবি পাইকারি বিক্রেতাদের। তবে কয়েকদিনের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানান তারা।
অন্যদিকে, কাপ্তান বাজার ঘুরে দেখা যায় গতকালের তুলনায় পাইকারিতে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১০-২০ টাকা কমে ১৫০-১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবমিলিয়ে রমজানের প্রথম দিন বাজারে অনেক নিত্যপণ্য কিনতেই বাড়তি টাকা গুনতে হবে ক্রেতাদের। বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি চান খুচরা বিক্রেতারাও।