এখন পর্যন্ত ৭ নারী প্রার্থীর জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সাতজন নারী প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ৮৪ জন নারী প্রার্থী অংশ নেন, যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৪ শতাংশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২
রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে (হাঁস প্রতীক) বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। তিনি ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবিব (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম) থেকে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পান।
ফরিদপুর-২ ও ফরিদপুর-৩
ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ আহমেদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-৩
এই আসনে আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ সাইদ নূর (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) পান ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
ঝালকাঠি-2
ঝালকাঠি সদর-নলছিটি নিয়ে গঠিত এই আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি জোট) ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম নেয়ামুল করিম পান ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
সিলেট-২
বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর নিয়ে গঠিত আসনে তাহসিনা রুশদীর (লুনা) ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পান ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। উল্লেখযোগ্য যে, সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী প্রার্থী।
নাটোর-১
এই আসনে ফারজানা শারমিন ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মহসিন আহমদ পেয়েছেন ৯০ হাজার ৫৬৮ ভোট।
এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৬৬ জন দলীয় এবং ১৯ জন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী ছিলেন। পাশাপাশি একজন তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীও অংশ নেন।