শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন চাইলেন তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার জ্বালানি সংকটে সরকার নির্ধারণ করলো সীমিত তেল এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ২৩০ টাকা, ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে বিএনপি এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ইরান ইস্যুতে অবস্থান বদল ট্রাম্পের, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিডার সাবেক নির্বাহী সদস্য, স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার বিআরটিসি চালু করছে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’, সব কর্মী নারী
  • রমজান ঘিরে বাজারে স্বস্তি, তবে মসলার দাম অস্থিতিশীল

    রমজান ঘিরে বাজারে স্বস্তি, তবে মসলার দাম অস্থিতিশীল
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রমজান সামনে রেখে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে আপাতত স্বস্তির চিত্র দেখা দিয়েছে। পাইকারি ও খুচরা—উভয় বাজারেই পণ্যের পর্যাপ্ত যোগান রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির কোনো চাপ নেই।

    এখন পর্যন্ত আমদানির পরিমাণ নিয়েও কোনো অভিযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাড়তি দামের তেমন কোনো চাপ নেই, খুচরা বাজারেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

    সকালে পুরান ঢাকার চকবাজার, মৌলভীবাজার ও বেগমবাজার ঘিরে জমে ওঠে পাইকারি বাজারের কেন্দ্রগুলো। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে শুরু হয় এখানকার ব্যবসায়িক দিন। আর দুই সপ্তাহ পর রমজান। ফলে পাইকারি বাজারগুলো এখনই জমে উঠতে শুরু করেছে। এমন সময়ে স্বাভাবিক যোগানের পাশাপাশি বেড়েছে আমদানিও। দেশি পণ্যের সঙ্গে বাজার সয়লাব বিদেশ থেকে আসা খাদ্যপণ্যে।

    পাইকারি বাজারে নানা জাতের মুগ, মসুর, ডাবলি ও ছোলা এসেছে ব্যাপক পরিমাণে। গত বছরের তুলনায় ছোলার আমদানি বেড়েছে ২৭ শতাংশ, মুগ ৩০০ শতাংশ, মসুর ৮৭ শতাংশ, খেজুর ২৩১ শতাংশ এবং চিনি ১১ শতাংশ।

    পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছোলার দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। মৌসুমি ডালসহ অন্যান্য পণ্যের দামও স্থিতিশীল। খুচরা বাজারে ভালো মানের ছোলা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, সাধারণ ছোলা ৮০ টাকায়। খেসার ডালের দাম নেমেছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আর মসুর ও মুগ ডালের দাম কমেছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

    তবে মসলার বাজারে এখনো অস্বাভাবিকতা রয়ে গেছে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিতে বাধা, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ পথ ঘুরে দেশে আসছে মসলা। ফলে দাম বেড়েছে এলাচ, জিরা ও লবঙ্গের। বাজারে ভারতীয় এলাচ কেজিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, ভারতীয় জিরা মানভেদে ৫৭০ টাকা, ইরানি ও আফগানি জিরা ৭০০ টাকা এবং শ্রীলঙ্কার লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৫০ টাকায়।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সেসব দেশের পণ্য আসতে পারছে না। ফলে মসলার দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, ক্রয়-বিক্রয়—দুই দিকেই চাপ তৈরি হচ্ছে।

    তবে রমজানের পণ্য নিয়ে খুচরা বাজারে এখনো তেমন অভিযোগ নেই। আগামী ১৫ দিনে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য নষ্ট হবে কি না—সে নিয়েও খুব একটা শঙ্কিত নন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দামের সূচকে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

    প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের খাদ্যপণ্যের বাজারে আপাতত স্বস্তির হাওয়া বইছে। কিছু পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কমও রয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, এখন পর্যন্ত ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষা করছে তুলনামূলক স্বস্তির রমজান। তবে বাজারে অসাধু দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সব পক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ