শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বিডার সাবেক নির্বাহী সদস্য, স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার বিআরটিসি চালু করছে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’, সব কর্মী নারী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদের আগে শক্তিশালী ঝড়ের আশঙ্কা কড়াইল বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ছুটি বাড়াল সরকার পাকিস্তান সিরিজেও অনিশ্চিত সাকিব; দলে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ খিলগাঁওয়ে ১০০ ভরি স্বর্ণসহ রুপার অলঙ্কার লুট আকাশপথ বন্ধের ৬ দিন: ঢাকা থেকে বাতিল হলো ২১০টি ফ্লাইট রমজান ও ঈদের চাপে ম্লান একুশে বইমেলা; জনসমাগম নিয়ে চিন্তায় প্রকাশকরা
  • যশোর-৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম. এ. হালিম

    যশোর-৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম. এ. হালিম
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এম এ হালিম দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ও পরিচিত একটি নাম। তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধারাবাহিক অংশগ্রহণ—তার রাজনৈতিক পথচলা অভিজ্ঞতা ও অধ্যবসায়ে গড়ে উঠেছে।

    এম এ হালিমের পিতা মরহুম নওশের আলী সরদার এবং মাতা শহর ভানু। তিনি মনিরামপুর উপজেলার বাহিরঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা; ডাকঘর খাটুয়াডাঙ্গা। বর্তমানে তার বয়স ৫০ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি এম. কম পাস। পারিবারিক জীবনে তিনি কন্যা সন্তানের জনক।

    পেশাগত জীবনে এম এ হালিমের প্রধান আয়ের উৎস ব্যবসা। পাশাপাশি তিনি কৃষিকাজের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। ব্যবসা ও কৃষি—এই দুই খাতে সরাসরি যুক্ত থাকার ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে উঠেছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

    রাজনৈতিক জীবনে এম এ হালিম এর আগে যশোর-৫ আসনে একাধিকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। যদিও পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে তিনি জয়লাভ করতে পারেননি, তবে প্রতিবারই তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে দলীয় কর্মকাণ্ড ও জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তার সমর্থকদের মতে, এবারের নির্বাচনী বাস্তবতা আগের চেয়ে ভিন্ন।

    সমর্থকদের ধারণা, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ না করায় তাদের ভোটের একটি বড় অংশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ হালিমের দিকে যেতে পারে। অতীতে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করায় একটি ভোটভিত্তিক সমঝোতার মনোভাব ছিল, যা এবারও ভোটারদের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট—সব মিলিয়ে এম এ হালিমের বিজয়ের সম্ভাবনা এবার তুলনামূলকভাবে বেশি বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন তার সমর্থকেরা। এখন শেষ পর্যন্ত ভোটের রায় কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন মনিরামপুরবাসী।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন