বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

বিএনপির জন্য বিদ্রোহী প্রার্থীরা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ

বিএনপির জন্য বিদ্রোহী প্রার্থীরা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অস্বস্তিতে রয়েছে, কারণ কিছু আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং তিনটি আসনে প্রার্থিতা শূন্যতা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিদ্রোহীদের দলের ডাকে সাড়া দেওয়ার আশা রাখলেও পরিস্থিতি এখনও জটিল।

শীর্ষ নেতাদের আশা, শেষ পর্যন্ত দলের ডাকে সাড়া দেবেন বিদ্রোহীরা। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে এবার আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন প্রার্থিতা হারানো বিএনপির তিন নেতা।
 
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থীর জন্য এ আসনে অস্বস্তির কারণ দলটির সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করায় বিএনপি থেকে বহিস্কৃত হলেও ছাড়েননি ভোটের মাঠ। পটুয়াখালী-৩ আসনেও বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নূরের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দলটির পদ হারানো নেতা হাসান মামুন।

নিজেকে পরীক্ষা করতে গিয়ে দলের যে ক্ষতি করছে; সেই চিন্তা তাদের মধ্যে নেই, বললেন  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বিএনপি ও তার জোটসঙ্গীদের জন্য নির্বাচনী মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এমন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন প্রায় অর্ধশত আসনে। এমনকি আগের নির্বাচনে নোয়াখালী, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জের মতো জেলায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও এবার ভাবাচ্ছেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা। এরইমধ্যে অন্তত ১০ জনকে দল থেকে বহিস্কার করা হলেও অবস্থা বদলায়নি। তবে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আশা, শেষ মুহূর্তে দলের ডাকে সাড়া দিয়ে দলের সমর্থিত প্রার্থীদের সমর্থনে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াবেন বিদ্রোহীরা।
 
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সময় সংবাদকে বলেন, 
যারা নির্বাচন করছেন তারা দলের একনিষ্ট কর্মী। তাদের মধ্যে নির্বাচন করার ইচ্ছা জাগতেই পারে। সেদিক থেকে তারা নিজেদের পরীক্ষা করতেই পারে। কিন্তু এই পরীক্ষা করতে গিয়ে দলের যে ক্ষতি হতে পারে, সেই চিন্তা তাদের মধ্যে নেই। যদিও তারা দলের একনিষ্ট কর্মী।  
 
শেষ মুহূর্তে দলের ডাকে সাড়া দেবেন বিদ্রোহীরা, বললেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। 
 
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দলের প্রতি যাদের প্রতিশ্রুতি আছে তাদের অবশ্যই আমরা নির্বাচন থেকে নিভৃত করতে পারব। 

একদিকে যখন বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাথাব্যথার কারণ অন্যদিকে তিন আসনে প্রার্থী শূন্যতার শঙ্কাও ভাবাচ্ছে বিএনপিকে। নির্বাচন কমিশনের আপিল নিষ্পত্তিতে বাতিল হয় চট্টগ্রাম-২, কুমিল্লা-৪ ও ১০ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের প্রার্থিতা। এ সব আসনে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীও নেই। প্রার্থিতা ফিরে পেতে বিএনপি নেতারা অবশেষ হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন, আর সেদিকেই তাকিয়ে দলটি।
  
গয়েশ্বর বলেন, নির্বাচনের নিয়মকানুন তারা যদি অনুসরণ না করেন, তাই বলে তো নির্বাচন বসে থাকবে না।  

যে তিন আসনে বিএনপির প্রার্থীরা প্রার্থিরা হারিয়েছেন, সেগুলোতে অবশ্য বিএনপি জোটভুক্ত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আছে।
 
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংস নদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন