বক্স অফিস কাঁপাতে আসছে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

জেমস ক্যামেরনের মহাকাব্যিক ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির আগেই বিশ্বজুড়ে উত্তেজনার জোয়ার সৃষ্টি করেছে। প্রথম সপ্তাহান্তে মার্কিন বক্স অফিসে এটি ৯০ থেকে ১০৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে বলে প্রাথমিক প্রজেকশন, এবং বিশ্বব্যাপী আয়ের পরিসর ৩৪০ থেকে ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগের দুটি কিস্তি, ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’ এবং ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’, বিশ্বজুড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যদি ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ একই সাফল্য অর্জন করে, তবে এটি হবে ইতিহাসের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি যার তিনটি কিস্তিই ২ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে পৌঁছাবে। বর্তমানে জেমস ক্যামেরন একমাত্র পরিচালক, যার তিনটি সিনেমা (টাইটানিকসহ) ২ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে রয়েছে।
গল্পের কেন্দ্রে থাকছে পান্ডোরার নীল না’ভি জাতি এবং খলনায়ক আরডিএ-এর মধ্যে সংঘর্ষ। জেক সালি (স্যাম ওয়ার্থিংটন) ও নেইতিরি (জো সালদানা) পরিবারকে নতুন শক্তিশালী গোত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, যারা আগুনের শক্তির অধিকারী। ৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট দীর্ঘ এই সিনেমা দর্শকদের কতটুকু ধরে রাখতে পারবে, সেটিই এখন দর্শকদের এবং সমালোচকদের জন্য উত্তেজনার বিষয়। সমালোচকরা ইতোমধ্যেই বলেছেন, এটি পূর্ববর্তী পর্বের তুলনায় আরও টানটান এবং রোমাঞ্চকর।
‘অ্যাভাটার’-এর মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু সিনেমা বড় পর্দায় আসছে, যেমন সিডনি সুইনির ‘দ্য হাউসমেইড’, অ্যানিমেটেড ‘দ্য স্পঞ্জবব মুভি: সার্চ ফর স্কয়ারপ্যান্টস’, এবং ধর্মভিত্তিক ‘ডেভিড’। তবে বক্স অফিস দখলের দৌড়ে ক্যামেরনের সিনেমাই শীর্ষে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস গত বছরের তুলনায় মাত্র ০.৫% বেড়েছে। বছরের মোট আয় ৯ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে, ‘অ্যাভাটার’-এর বড় সাফল্যের বিকল্প নেই। এখন দেখার বিষয়, জেমস ক্যামেরন কি আবারও তার চিরচেনা জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হবেন কি না।