সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কুরআন মুখস্ত করলেন রিম

    হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কুরআন মুখস্ত করলেন রিম
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রিম আবু উদ্দাহ; ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের মধ্যে বিরল সাহস ও ঈমানি দৃঢ়তার এক অনন্য নজির স্থাপন করা এক ফিলিস্তিনি কিশোরী। ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক বোমাবর্ষণে গুরুতর আহত হয়েও হাসপাতালের বিছানায় থাকা অবস্থাতেই পুরো কুরআন হিফজ (মুখস্ত) করেছে সে। তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা সত্ত্বেও অবিচল অধ্যবসায় পবিত্র কুরআনের পথে জয়ী করেছে তাকে।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে অসাধারণ এ গল্প। 

    হাসপাতালে শয্যাশায়ী রিম আল জাজিরাকে জানান, পবিত্র কোরআন মুখস্থ করার পথটি একইসঙ্গে সুন্দর ও কঠিন ছিল তার জন্য।

    রিম জানান, গত বছর ২৪ আগস্ট ছিল তার মায়ের মৃত্যুদিবস। সেই দিনেই হিফজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিল সে; কিন্তু তার দুই দিন আগেই, অর্থাৎ ২২ আগস্টের বিমান হামলায় গুরুতর আহত হয় সে। ইসরায়েলি বাহিনীর বোমার আঘাতে তার শরীরের একাধিক স্থানে শেলবিদ্ধ হয় এবং পেট জখম হয়।
     
    তিনি আরও বলেন, আমি সেই এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলাম, যাকে দখলদাররা নিরাপদ বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু আমাদের পাশের তাঁবুতেই হামলা চালানো হয়। আল্লাহর অনুগ্রহে, প্রায় এক মাস চিকিৎসার সময় হাসপাতালেই আমি কুরআন মুখস্থ সম্পন্ন করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি কুরআন মুখস্থ করেছি।

    রিমের বোন সাফা আবু উদ্দাহ জানান, রিম হাসপাতালে শয্যায় শুয়ে থেকেই কুরআন হিফজ শেষ করে। সে কুরআন তেলাওয়াত করতো, আর চিকিৎসকেরা তার অবিশ্বাস্য ধৈর্য ও মানসিক শক্তি দেখে রীতিমতো বিস্মিত হতেন।

    রিম তার বোন সাফাকে নিজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও জীবনের অবলম্বন বলে উল্লেখ করেছেন। রিমের ভাষায়, এই ভয়াবহ যুদ্ধের পুরো সময় জুড়ে কোরআনই ছিল আমার ধৈর্য ও স্থিতিশীলতার প্রধান উৎস। কোরআন হিফজে এই অসাধারণ ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতিস্বরূপ গাজা শহরের হাবিব মুহাম্মদ সেন্টার-এর পক্ষ থেকে রিম আবু উদ্দাহকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। রিমের এই অর্জন গাজার ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও ঈমান, দৃঢ়তা আর শিক্ষার প্রতি ভালোবাসার এক জ্বলন্ত প্রতীক হিসেবে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


    রে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ