শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ-ব্রাজিল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আলোচনা নিউইয়র্ক সফরে ১১ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর : মাহদী আমিন দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘের অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী  ডিজিটাল ব্যাংকের পথে বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ব্রিটজকে-জানসেনের ব্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াকু সংগ্রহ ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৭৮২  মক্কাসহ সৌদির বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা জারি
  • দুদকের দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন তারেক ও জুবাইদা রহমান

    দুদকের দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন তারেক ও জুবাইদা রহমান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বুধবার (২৮ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ের মাধ্যমে তারেক রহমান সব মামলায় দণ্ড ও সাজা থেকে মুক্ত হলেন।

    এর আগে গত সোমবার (২৬ মে) আপিল শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

    মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আর আপিলকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, কায়সার কামাল ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল করিম।

    আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, যে সম্পত্তিগুলো তারেক রহমানের নামে দেখানো হয়েছে, একটাও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত না, অসাধু না। একটা টাকা বা একটা সম্পত্তিও বাংলাদেশের বাইরে না। বাংলাদেশের বাইরে এই পরিবারের কোনো ঠিকানা নেই।

    তিনি আরও বলেন, সেনানিবাসে মইনুল রোডের বাড়িটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। সেটাও এই মামলায় দুদক বলছে, এটা তারেক রহমানের অর্জিত সম্পদ এবং এটা অবৈধ সম্পদ। অথচ এটা সরকার নিয়মকানুন মেনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আরেকটা সম্পত্তি আছে গুলশানে। সেটাও রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া। ৩৩ টাকা মূল্যমানের। অথচ মামলায় তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। বিচারের নামে এ রকম প্রহসন আমি আমার ওকালতি জীবনে দেখিনি।

    গত ১৪ মে ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জরিমানা স্থগিত করে ওইদিন আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়া হয়।

    গত ১৩ মে আপিল দায়েরে ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা করেন হাইকোর্ট। বিলম্ব মার্জনার পর ডা. জুবাইদা রহমান সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

    সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক।

    এ মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তারেক রহমানকে দুই ধারায় মোট নয় বছর এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

    রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় তারেক রহমানকে তিন বছর এবং ২৭(১) ধারায় ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি তাকে তিন কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

    জুবাইদা রহমানকে ২৭(১) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

    ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। ১৭ বছর পর চলতি বছরের ৬ মে শাশুড়ি খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন