পূজার পর স্বর্ণের দামে স্বস্তি, ভরিতে কমল সর্বোচ্চ ১,৬৯১ টাকা

দুর্গাপূজা শেষ হওয়ার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। ভ্যাটসহ আগের দরের তুলনায় স্বর্ণালঙ্কারের প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের বিক্রয়মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি নির্ধারিত হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে, যা ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো গহনা কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। অলংকার ও পুরোনো গহনা কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।