শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে ডিএনসিসির বাড়ি বাড়ি অভিযান

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে ডিএনসিসির বাড়ি বাড়ি অভিযান
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস এবং জনসচেতনতা তৈরিতে মাঠে নামছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মী।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, ২৪টি দলে ভাগ হয়ে এসব কর্মী বিভিন্ন এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ৯টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর এ অভিযান শুরু হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি তথ্যকেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে সেখানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়, সতর্কতা ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন তথ্য নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর ডিএনসিসির অঞ্চল-৫, বিশেষ করে সংসদ ভবন ও আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এসব এলাকায় এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ, সোর্স রিডাকশন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হবে।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক সুপারভাইজার ও মশককর্মীকে সাময়িকভাবে অঞ্চল-৫ এবং সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া এসব অঞ্চলের অন্যান্য কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।

এ ছাড়া অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯সহ ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকাতেও জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল এবং আগের হটস্পটগুলোকে এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবারের কর্মসূচিতে শুধু মশক নিধনের ওপর নির্ভর না করে এডিস মশার উৎসস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজনন ঠেকাতে নাগরিকদের সচেতন করা হবে।

মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি, সমন্বয় ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনবল মোতায়েন, অভিযানের অগ্রগতি এবং চিহ্নিত প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন