বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • র‌্যাব বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি: শফিকুর রহমান ইউরোপে বাংলাদেশিদের আবেদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৬৫ হেবা আইনের সংশোধন বাতিলের দাবিতে শুক্রবার ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্যমন্ত্রী শাহজালালে ৭ যাত্রীর ব্যাগে মিলল সাড়ে ৩৮ লিটার বিদেশি মদ গণমাধ্যম স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: রিজভী ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান প্রভিশন ঘাটতিতে ঝুঁকিতে ১৫ ব্যাংক, খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরায়ও নিয়ম মানছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান

    ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে দ্বিতীয় দফায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও হামের সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

    ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

    উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন