বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পর্যটন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা ও ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানো, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় দেশটির পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের (এমওটিএসি) উপমন্ত্রী ইউবি তুয়ান চিয়ু চুন ম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। বৈঠকে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বৈঠকে দুই দেশের পর্যটকদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানো, দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল বৃদ্ধি, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং প্রি-ভেরিফিকেশন ব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পর্যটন খাতে দুই দেশের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সফল উদ্যোগ বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
আতিথেয়তা খাতে দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা
পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি হসপিটালিটি বা আতিথেয়তা খাতে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা করেন দুই পক্ষ। মালয়েশিয়ার পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। সেই চাহিদা পূরণে প্রশিক্ষিত ও যোগ্য বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দুই দেশের পর্যটন খাতে জনবল উন্নয়ন ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
পর্যটন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা
বৈঠকে পর্যটন উন্নয়নের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, পর্যটন, বিমান যোগাযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।