চোখের নিচের কালি দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

শুধু বাহারি পোশাক বা সাজগোজই নয়, সুন্দর দেখাতে হলে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করাও জরুরি। অনেকেই প্রসাধনী ব্যবহার বা পার্লারে গিয়ে এই সমস্যা ঢাকার চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সাধারণত সাময়িক সমাধান দেয়।
রাত জাগা, অনিদ্রা, অফিসের চাপ, কিংবা দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা— এসব কারণে চোখের নিচে কালচে দাগ পড়ে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় রোদের তীব্রতায় এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এই দাগ সহজে দূর হয় না এবং অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।
তবে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে ধীরে ধীরে এই সমস্যা কমানো সম্ভব। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, ঠান্ডা পানির সেঁক, শসা বা আলুর রস ব্যবহার, এবং সঠিক ত্বক পরিচর্যা চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং স্ট্রেস কমানোও ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের মেলানিন রঞ্জকের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এই মেলানিনই ত্বকের রং নির্ধারণ করে। মেলানিনের পরিমাণ বাড়লে ত্বকের রং গাঢ় হয়ে যায়। সে কারণে দাগছোপও পড়তে পারে। এর সমাধান কী ভাবে হবে?
একটা পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে নিন। তার পরে ধীরে ধীরে চোখের চার পাশে ঠান্ডা সেঁক দিন। এমনটা রোজ করুন। দিনে এক বার করে। কোনও দিন বরফ না থাকলে ঠান্ডা জলও ব্যবহার করতে পারেন। তাতে ভিজিয়ে নেবেন কাপড়। সে ভিজে কাপড় দিয়ে কিছু ক্ষণ ঢেকে রাখবেন চোখ।
চোখের নীচের কালি দূর করতে অ্যালো ভেরা কার্যকরী। কারণ অ্যালো ভেরায় থাকা ময়েশ্চারাইজ়িং উপাদান পুরু দাগছোপও দূর করে। এমনিতে ত্বকের যত্নআত্তিতে অ্যালো ভেরার জুড়ি মেলা ভার। এই ধরনের সমস্যাতেও ভরসা রাখতে পারেন অ্যালো ভেরার উপর।
শসা বা আলুর টুকরো ১০-১৫ মিনিট চোখের উপর দিয়ে রাখুন। আলুর রস বা শসার রস চোখের নীচের কালি তুলতে খুবই কার্যকরী।
তুলোয় গোলাপ জল ভিজিয়ে চোখের উপর রাখলে ত্বক ঠান্ডা হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। এতেও দাগছোপ উঠে যাবে।
শুধু রান্নায় নয়, চোখের কালি মুছতেও হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা চোখের নীচের ফোলাভাব এবং কালো দাগ তুলতে সাহায্য করে।