শনিবার, ০২ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু সিলেটে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ার বেশি না নিতে নির্দেশ দিল পরিবহন মালিক সমিতি স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা! নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল নাহিদা বৃষ্টির লাশ ঢাকা-সিলেট রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ডাবল লাইন : প্রধানমন্ত্রী নতুন কারিকুলামে ডিসেম্বরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা হামে প্রাণ গেল আরও ৪ শিশুর বৃষ্টির বাধায় অনিশ্চিত ম্যাচ, কীভাবে ঠিক হবে ম্যাচের ভাগ্য? সিলেটে বাঁশিয়া খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান: জ্বালানিমন্ত্রী
  • চাকরি নিরাপত্তার দাবিতে এস আলমের অফিসারদের মানববন্ধন

    চাকরি নিরাপত্তার দাবিতে এস আলমের অফিসারদের মানববন্ধন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম)-কে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক দখল, ঋণ জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে সমালোচিত এই ব্যবসায়ীর প্রভাব ব্যবহার করে কিছু কর্মকর্তাদের অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, তাদের নিয়োগ বৈধ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে তাদের চাকরি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। কর্মসূচির কারণে মতিঝিল, দৈনিক বাংলা মোড় ও ফকিরাপুলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলেন, তারা দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। হঠাৎ অবৈধ আখ্যা দিয়ে চাকরি থেকে সরিয়ে দিলে তাদের আর্থিক ও সামাজিক সমস্যা তৈরি হবে। তাই তারা চাকরি বহাল রাখার দাবি জানান।

    তবে ব্যাংকিং খাত বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাবের কারণে বিভিন্ন ব্যাংকে নিয়মবহির্ভূতভাবে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে এসব নিয়োগ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

    মানববন্ধনে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন। মোহাম্মদ রমজান বলেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি কক্ষে অনানুষ্ঠানিক নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী অফিসার পদে যোগদান করেছিলেন। তবে বায়তুল মালের টাকা দিতে অসম্মতি জানানোর কারণে চাকরি হারিয়েছেন।

    অন্যদিকে রাকিব নামে এক কর্মকর্তা বলেন, তিনি ২০২৩ সালে মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন এবং তার দাবি, নিয়োগ সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে হয়েছে। আলমাস নামে এক কর্মকর্তা বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।

    চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ২০১৯ সালে নিয়োগ পাওয়া একজন কর্মকর্তা বলেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তাদের চাকরি থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তার কোন প্রামাণ্য তথ্য নেই।

    উল্লেখযোগ্য, ইসলামী ব্যাংক অবৈধ কর্মকর্তাদের বৈধ করতে ৫,৩৭৪ জন কর্মকর্তার জন্য লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করে। পরীক্ষায় ৪০২ জন অংশগ্রহণ করে সবাই পাশ করলে চাকরি স্থায়ী করা হয়, যারা অংশগ্রহণ করেননি তাদের চাকরি বাতিল করা হয়।

    সব মিলিয়ে, ব্যাংক খাতে অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার এবং অবৈধ নিয়োগের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত সবার নজরের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন