বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • জোড়া খুন: অহিদকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আসামি করার অভিযোগ

    জোড়া খুন: অহিদকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আসামি করার অভিযোগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সংঘটিত জোড়া খুনের ঘটনায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও অহিদ আহমদ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তার পরিবারের। বুধবার (১৪ই জানুয়ারি) বিকেলে বড়লেখায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    অহিদ আহমদ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের উত্তরভাগ (কাঠালতলী) গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার বড় ভাই মকবুল আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অহিদ আহমদের বড় বোন আকলিবুন নেছা, স্ত্রী পিয়ারা বেগমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৭শে ডিসেম্বর ২০২৫ সালে দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি মাঠ গুদাম এলাকায় দুই সহোদর ভাই জামাল উদ্দিন (৫৬) ও কৃষক আব্দুল কাইয়ুম (৪৯) খুন হন। ওই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে অহিদ আহমদকে ঐ মামলার ১৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। অথচ মামলায় উল্লেখিত ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অহিদ আহমদ স্থানীয় দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলিম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইসলাম উদ্দিনের সঙ্গে বড়লেখার সদর ইউনিয়নের ইসমাইল আলীর বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে তিনি চেয়ারম্যান আলিম উদ্দিনসহ মুছেগুল বাইতুন নুর জামে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। মাগরিবের নামাজ শেষে অহিদ আহমদ শিক্ষক কয়েছ আহমদ, মসজিদের মুয়াজ্জিন মেহরাজ মীম এবং শ্রমিক নেতা আবু তাহেরসহ অনেকের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ওই সময়ের প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক লোকেশন যাচাই করলেই তার নির্দোষিতা এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা প্রমাণিত হবে বলে দাবি পরিবারের।

    সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঘটনাস্থল বা আশপাশে অহিদ আহমদের পরিবারের কোনো জমিজমা নেই। এমনকি ঘটনার পরপরই নিহতের স্বজনরা বিভিন্ন ফেসবুক চ্যানেলে ঘটনার বর্ণনা দিলেও সেখানে অহিদ আহমদের নাম উল্লেখ করেননি। পরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষে সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়াই তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, জোড়া খুনের ঘটনায় নিহত জামাল উদ্দিনের স্ত্রী হালিমা বেগম বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে অহিদ আহমদ ১৪ নম্বর এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত আসামি।

    সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ অহিদ আহমদকে মামলার দায় থেকে অনতিবিলম্বে অব্যাহতি দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন