কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে: এ্যানি চৌধুরী

সমাজে কিছু কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের টাউন হল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘রাজনীতিবিদ সম্পর্কে বা নির্বাচিত প্রতিনিধি সম্পর্কে সমাজে খুব ভালো একটা আলোচনা হয় না। আর এসব কারণে নতুন প্রজন্ম এটাকে ভালো চোখে দেখেন না।
কিন্তু সমাজ ব্যবস্থা আমরা রাজনীতিবিদরা যখন দেখি, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সে প্রকৃতভাবে জনগণের সেবা করার যে সুযোগটা গ্রহণ করা দরকার ছিল, সেটা না করে নিজের ব্যক্তিগত আখের গোছার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।’
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘সমাজে কিছু কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তাদের কারণে নতুন প্রজন্মের কাছে এ ধরনের ধারণা হওয়ায় খুবই স্বাভাবিক। দেশের প্রায় নির্বাচনের অথবা নির্বাচিত প্রতিনিধি সমাজে যারা আমরা রাজনীতিবিদরা ভালো কাজ করার চেষ্টা করি, তখন এসব কারণে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। তাই এই ধরনের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে দিতে পারে বা পাল্টে দিতে পারে নতুন প্রজন্ম এবং তাদের পক্ষেই তা সম্ভব। যেটা তারা দেখিয়ে দিয়েছে জুলাই আন্দোলনে।’
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘দেশ চলতে হলে রাজনৈতিক নেতৃত্বে বা জনপ্রতিনিধি বা নির্বাচিত নেতা লাগবে। সবাই তো রাজনীতি করে না। আর দেশ চালাতে হলে সব ধরনের লোক লাগবে। যেমন–রাজনীতিবিদ, ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসক, আইনজীবী, ডিসি-এসপি ও সচিবসহ সবক্ষেত্রের লোক প্রয়োজন। আর এদের সবাইকে নিয়ে দেশ চালাতে হয়। এছাড়া দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। শেষ অবধি একজন নির্বাচিত সরকার বা নির্বাচিত প্রতিনিধি তার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করতে হবে। তাই সবাই মিলে সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই। আর এটা এখনই সম্ভব।’
সোসাইটি ও আলফা স্টার ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সভায় তিনি বক্তব্য দেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর সোসাইটির ফাইন্ডার ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল রহমান ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুন নেসা খন্দকারসহ আরও অনেকে। পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন অতিথিরা।