খাগড়াছড়িতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী টহল জোরদার

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গুইমারা রামসু বাজার ও আশপাশের এলাকায় পাহাড়ি–বাঙালিদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু দোকানপাট, বসতবাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি পুলিশ সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর টহল জোরদার করেছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বড় কোনো সহিংসতার খবর না মিললেও সার্বিক পরিবেশ থমথমে রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য আংশিকভাবে চালু থাকলেও সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
এদিকে জুম্ম ছাত্র-জনতার ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, ঢাকা–খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম–খাগড়াছড়ি সড়কে দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ শিথিল থাকবে। তবে অন্য সব সড়কে ধর্ষণ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি বহাল থাকবে। এতে গুইমারার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণ একমত হয়ে বলেন, ধর্ষণ ঘটনায় জড়িতদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে তারা আহ্বান জানান, কোনো তৃতীয় পক্ষের উসকানিতে যেন দীর্ঘদিনের পারস্পরিক শান্তি ও সম্প্রীতি নষ্ট না হয়।
এর আগে গতকাল গুইমারায় পাহাড়ি বাঙ্গালীর পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ৩ জন উপজাতী নিহত, পুলিশ, সেনাবাহিনী, পাহাড়ি ও বাঙ্গালী সহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।