বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj

তবলাপাড়ার ঘটনায় ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ

তবলাপাড়ার ঘটনায় ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

খাগড়াছড়ির গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলার সীমান্ত তবলাপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে। 

স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউপিডিএফ বিভিন্ন কর্মসূচির নামে জনভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মতবিনিময় সভায় তবলাপাড়ার ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় জানানো হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিন্দুকছড়ি জোনের ছয়জন সেনা সদস্য সিভিল পোশাকে তবলাপাড়া এলাকায় অভিযানে যান। ইউপিডিএফ এই সুযোগে তাদের ভাষায় 'ঠাঙারে বাহিনী' পরিচয় দিয়ে সাধারণ গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের উসকানি দেয়।

খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার এবং গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিজেদের পরিচয় দিলেও ইউপিডিএফের প্ররোচনায় পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করা হয় এবং সেনাবাহিনীর ওপর গুলি ছোড়া হয়। আত্মরক্ষার্থে তখন সেনাবাহিনীকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে বাধ্য হতে হয়।

সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মতবিনিময় সভায় তবলা পাড়ার ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন সিন্ধুকছড়ি জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল ইসমাইল শামস আজিজি, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভূইয়া, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইরিন আকতার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এনামুল হক চৌধুরী, মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহমুদুল হাসান। 

এসময় তারা বলেন, “ইউপিডিএফ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের মাধ্যমে সাধারণ গ্রামবাসী এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রশাসনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। যারা এসব করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত উপজাতীয় নেতৃবৃন্দ জানান, ৭ তারিখে ইউপিডিএফ গণসংগ্রাম বা অন্য কোনো সশস্ত্র দল আসেনি। তারা বলেন, ইউপিডিএফ অহেতুক মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মারমা নেতা বলেন, “আমরা উভয় সংকটে পড়ি। ইউপিডিএফের মিথ্যা প্রচারের বিষয়ে কিছু বলা যায় না, আবার সেনাবাহিনীর পক্ষে বললেও সমস্যা হয়।”

মতবিনিময় সভায় গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন