নেতৃত্বে পজিটিভ রাজনীতির প্রত্যাশা ছিল, এনসিপির কিছু নেতার আচরণে হতাশা: রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি (ন্যাশনালিস্ট কনজারভেটিভ পার্টি)–এর কিছু নেতার রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ভাবছিলাম এনসিপি এই দেশে পজিটিভ পলিটিক্স করবে, কিন্তু তাদের কতিপয় নেতা আওয়ামী প্রপাগান্ডা মেশিনের চেয়েও দ্রুত গতিতে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে।
রাশেদ খানের দাবি, এনসিপির কিছু নেতার ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে যেভাবে প্রোপাগান্ডামূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা অনেকটা আওয়ামী লীগের ভ্যারিফায়েড পেজ থেকে ছড়ানো তথ্যের মতোই। তিনি গাজীপুরে "হানিট্র্যাপ" বা "কলগার্ল" ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চরিত্র হননের কৌশল ছিল, যাকে চাঁদাবাজির লাইভ বলে প্রচার করে সারা দেশে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, গেম চেঞ্জ হয়ে যাওয়ায় মানুষের আস্থা উল্টো এনসিপির দিকেই নষ্ট হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, যে দলই হোক না কেন, বিএনপি কিংবা জামায়াত নেতাকর্মীরা কোনো অন্যায় করলে সেটার সমালোচনা এবং প্রতিবাদ হওয়া উচিত। কিন্তু মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে চরিত্র হননের রাজনীতি বন্ধ না হলে দেশে রাজনৈতিক সহনশীলতা ফিরবে না।
তিনি বিশেষভাবে এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা যদি পজিটিভ পলিটিক্স না করে পুরাতন ধাঁচেই রাজনীতি করেন, তবে পরিবর্তনটা হবে কীভাবে?
রাশেদ খানের এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তির ভেতর থেকে এ ধরনের আত্মসমালোচনা এবং গঠনমূলক প্রতিবাদ রাজনীতিতে ইতিবাচক সংস্কৃতি গঠনের ইঙ্গিত দেয়।